Kaler Alo
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬
২০ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিয়াউর রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয় : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী
কালের আলো

সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা,কালের আলো

প্রকাশিত: নভেম্বর ৫, ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

শীতের সবজি ঘিরে স্বপ্ন, কৃষকের চিন্তা লোকসান

সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা,কালের আলো

প্রকাশিত: নভেম্বর ৫, ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

শীতের সবজি ঘিরে স্বপ্ন, কৃষকের চিন্তা লোকসান

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে মাঠজুড়ে শোভা পাচ্ছে শীতকালীন নানা ধরনের সবজি। কোথাও সারি সারি বাঁধাকপি, কোথাও ফুলকপির গাছ। বিস্তীর্ণ জমি ছেয়ে গেছে সবুজে। ভালো ফলনের আশায় জমির পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। কেউ আগাছা পরিষ্কার করছেন, কেউ সার দিচ্ছেন, আবার কেউ যত্ন নিচ্ছেন সবজির গাছের।

শীতের আগমনে সবজির খেতে কর্মচাঞ্চল্য বাড়লেও কৃষকদের দুশ্চিন্তা কাটছে না। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ভালো ফলন পেলেও বাজারে ন্যায্য দাম পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তাঁরা।

সম্প্রতি উপজেলার চরদসশিকা গ্রামের মাঠ ঘুরে দেখা যায়, ফুলকপি ও বাঁধাকপির খেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকেরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ভালো ফলনের আশা করছেন তাঁরা। তবে উৎপাদিত সবজি বিক্রির সময় প্রত্যাশিত দাম না পেলে লাভের পরিবর্তে লোকসানের মুখে পড়তে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।

ভালো ফলনে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা আয়ের আশা
চরদসশিকা গ্রামের কৃষক জহুরুল ইসলাম ১০০ শতক জমিতে ফুলকপি ও বাঁধাকপির আবাদ করেছেন। গাছের বেড়ে ওঠা দেখে এবার ভালো ফলনের প্রত্যাশা করছেন তিনি।

জহুরুল ইসলাম বলেন, ১০০ শতক জমিতে সবজি আবাদ করতে তাঁর ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা খরচ হবে। ফলন ভালো হলে এবং বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া গেলে এসব সবজি বিক্রি করে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা আয় হতে পারে। তবে ভালো ফলনের সম্ভাবনার পাশাপাশি বাজারদর নিয়ে চিন্তিত তিনি। উৎপাদন খরচের তুলনায় সবজির দাম কতটা পাওয়া যাবে, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে তাঁর।

সার-তেলের দাম বাড়ায় বেড়েছে উৎপাদন খরচ
একই গ্রামের কৃষক ছালামও এবার ভালো ফলনের আশা করছেন। তবে তাঁর মূল চিন্তা উৎপাদিত সবজির ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে। তিনি বলেন, ফলন ভালো হবে বলে আশা করছি। কিন্তু বাজারে ন্যায্য দাম পাব কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। সার, তেলসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণের দামও বেড়েছে।

কামারখন্দের চরদসশিকা ছাড়াও বিভিন্ন এলাকার কৃষকেরা এখন শীতকালীন সবজি আবাদ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের প্রত্যাশা করছেন তাঁরা। কিন্তু উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে প্রত্যাশিত দাম না পেলে লোকসানের আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।

৭৫০ হেক্টর জমিতে আবাদ লক্ষ্যমাত্রা
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন বলেন, চলতি মৌসুমে শীতকালীন সবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৫০ হেক্টর জমিতে। বুধবার (৪ নভেম্বর) পর্যন্ত ৩৩৪ হেক্টর জমিতে আবাদ সম্পন্ন হয়েছে তিনি জানান, মৌসুম এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবাদি জমির পরিমাণ আরও বাড়বে। এবার শীতকালীন সবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছে কৃষি বিভাগ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

Link copied!