মোংলা বন্দরকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলে দেশের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চারের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং দেশের উত্তরাঞ্চলে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার বৃহত্তর লক্ষ্য সামনে রেখে মোংলা বন্দর, শিল্পাঞ্চল, সড়ক যোগাযোগ, জ্বালানি সরবরাহ ও লজিস্টিকস ব্যবস্থার সমন্বিত উন্নয়নের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাগেরহাটের মোংলা ও খুলনায় একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব পরিকল্পনা ও অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন তিনি। এদিন চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) সঙ্গে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং খুলনায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী।
- চীনা বিনিয়োগে অবকাঠামো উন্নয়ন, আধুনিক হচ্ছে মোংলা বন্দর
- বন্ধ শিল্পকারখানা চালু, চার লেন সড়ক ও নতুন কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
- শ্রমিকদের দাবির আড়ালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ
চীনা বিনিয়োগে নতুন দ্বার, মোংলায় শিল্পকারখানা গড়ার উদ্যোগ
বাংলাদেশে আরও বেশি চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে কাজ করতে চায়। বাগেরহাটের মোংলায় আরও শিল্পকারখানা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেবে সরকার। এদিন সকালে মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়। ইনভেস্ট বাংলাদেশের পক্ষে সংস্থাটির ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বিভাগের সদস্য সালেহ আহমেদ এবং চীনের পক্ষে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিসিইসিসি) চেয়ারম্যান লি চংইয়াং নিজ নিজ পক্ষে সই করেন। এ সময় ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেন উপস্থিত ছিলেন।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশে অবকাঠামো, পরিবহন, লজিস্টিকস, শিল্প, জ্বালানি, পরিবেশ ও দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। অনুষ্ঠান শেষে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বে আসা উচ্চপর্যায়ের চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় চীনা বিনিয়োগকারীরা যেভাবে পাশে আছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এ জন্য তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। মধ্যপ্রাচ্যে পরিচালিত বিভিন্ন চীনা প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি জনবল নিয়োগ দেওয়ার জন্যও চীনা প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোংলা থেকে দেশের উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করতে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেবে সরকার।
মোংলা বন্দর হবে অর্থনীতির নতুন প্রবেশদ্বার
মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন। তিনি জানান, মডার্নাইজেশন প্রকল্পের আওতায় আধুনিক কনটেইনার টার্মিনাল, ইয়ার্ড এবং কার্গো হ্যান্ডলিং সুবিধাসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। আধুনিকায়নের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হলে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র পাল্টে যাবে। শুধু দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল নয়, পুরো দেশের জন্যই অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকৃত সাফল্য শুধু অবকাঠামো নির্মাণের ওপর নির্ভর করে না। বন্দরসেবার মান কতটা উন্নত হলো, পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় কতটা কমলো, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কতটা বাড়লো এবং পরিবেশ কতটা সুরক্ষিত থাকল—তার ওপরই যেকোনো প্রকল্পের সত্যিকার সাফল্য নির্ভর করে। এ সময় পরিবেশবান্ধব বন্দরসেবা নিশ্চিত করা, ড্রেজিংয়ের পলি ব্যবস্থাপনা, তেল নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
দেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনে সরকার বিনিয়োগ, শিল্পায়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। তৈরি পোশাকশিল্পের পাশাপাশি ওষুধ, ইলেকট্রনিকস, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ সম্ভাবনাময় শিল্পখাতে দেশি-বিদেশি নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগের পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
দেশে স্বনির্ভরতা অর্জনে আন্তর্জাতিক অংশীজন, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ ও নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মোংলা বন্দরকে ‘ফার্স্ট কলিং পোর্ট’ হিসেবে রূপান্তর করা এখন সময়ের দাবি উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলোর কাছে উপযুক্ত বাণিজ্যিক ও পরিচালনগত শর্তে মোংলাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে।

বন্দরকে কেন্দ্র করে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোরসহ দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। এ জন্য পঞ্চগড় থেকে মোংলা পর্যন্ত চার লেনের সমন্বিত সড়ক যোগাযোগ স্থাপন এবং খানজাহান আলী বিমানবন্দরের উন্নয়নকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন।
সরবরাহ ব্যবস্থা সহজ করার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দর, মোংলা ইপিজেড, চীনা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং অন্যান্য শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা সুগম করা দরকার। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা এবং সাপ্লাই চেইন কার্যকর রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা বন্দরকে একটি পরিপূরক বন্দর হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্বালানি, সার, খাদ্যশস্য ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি এবং দেশীয় পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে এই বন্দর জাতীয় অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এ উন্নয়ন উদ্যোগ দেশের শিল্প ও বাণিজ্যকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক সুষম উন্নয়নে টেকসই আর্থসামাজিক মূল্য সংযোজন করবে।
শ্রমিকদের দাবির আড়ালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা: প্রধানমন্ত্রী
মোংলার কর্মসূচি শেষে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের কাটাখালি মোড়ে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, চব্বিশের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ব্যক্তিরা সীমান্তের ওপার থেকে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির আড়ালে শিল্পকারখানায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির এই ষড়যন্ত্রের উচিত জবাব দেশের সাধারণ মানুষ ও শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়েই দেওয়া হবে। শ্রমিকদের মজুরিসংক্রান্ত দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, শ্রমিকদের দাবির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ইতোমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং বোর্ড কাজ শুরু করেছে। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই মজুরি বোর্ড নতুন মজুরি নির্ধারণ করবে।
সম্প্রতি বিভিন্ন শিল্পকারখানা, যন্ত্রপাতি ও যানবাহন ভাঙচুরের প্রসঙ্গ টেনে সরকারপ্রধান বলেন, প্রকৃত শ্রমিকেরা কখনো নিজেদের কর্মসংস্থানের উৎস ধ্বংস করতে পারেন না। শিল্পকারখানা দেশের এবং শ্রমিকদের সম্পদ। এগুলো ধ্বংস হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শ্রমিক, তাদের পরিবার ও সন্তানেরা। তিনি অভিযোগ করেন, কিছুসংখ্যক লোক ও একটি মহল সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। ক্ষমতাচ্যুত ব্যক্তিরাই এর নেপথ্যে রয়েছে। তবে দেশের সাধারণ মানুষ ও শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে এসব ষড়যন্ত্রকারীদের উচিত জবাব দেওয়া হবে।

অবহেলিত অঞ্চলের উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, একসময়ের শিল্পসমৃদ্ধ খুলনা অঞ্চলসহ দীর্ঘদিন অবহেলিত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে খুলনা অঞ্চলের বন্ধ হয়ে যাওয়া মিল-কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে উৎসাহিত করা হবে। খুলনা, বাগেরহাট ও চুয়াডাঙ্গা থেকে শুরু করে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় পর্যন্ত ব্যাপক শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
বন্ধ শিল্পকারখানা চালু, খুলনার উন্নয়নে নতুন আশ্বাস
দিনের শেষভাগে খুলনা মহানগরীর ডাকবাংলা মোড়ে আরেকটি পথসভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরসূচিতে এ কর্মসূচি না থাকলেও বিএনপি নেতাদের অনুরোধে তিনি সেখানে বক্তব্য দেন। এদিন বিকেল ৩টা ২১ মিনিটে তাকে বহনকারী ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাসটি ডাকবাংলা মোড় অতিক্রম করার সময় খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন পথসভা মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান।
তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বাস থেকে নেমে খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সামনে নির্মিত মঞ্চে যান। এ সময় প্রটোকল ভেঙে বাস থেকে নেমে সরাসরি জনতার দিকে হেঁটে যান এবং হাত বাড়িয়ে কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পথসভায় প্রধানমন্ত্রী খুলনার বন্ধ শিল্পকারখানা দ্রুত চালু করে শিল্পাঞ্চলের অতীত গৌরব ফিরিয়ে আনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবার বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। এর আগে একই মঞ্চে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি খুলনার সার্বিক উন্নয়ন ও সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। তিনি বলেন, সকাল থেকে হাজার হাজার মানুষ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন। মানুষের প্রত্যাশার কথা বিবেচনা করে তিনি যেন পথসভায় কিছু সময় দেন। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
কালের আলো/এএইচ/ডিএইচ
