শিশুর হাতে স্মার্টফোন, চোখের সামনে বিশাল এক ডিজিটাল জগৎ। সেখানে রয়েছে পড়াশোনা, বিনোদন, যোগাযোগ ও সৃজনশীলতার অসংখ্য সুযোগ। কিন্তু এই জগতেরই অন্ধকার এক অংশে অপেক্ষা করছে এমন কিছু কনটেন্ট, যা শিশুর বয়স, মানসিক বিকাশ কিংবা বোঝার ক্ষমতার সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অভিভাবকের অজান্তে একটি ক্লিক, একটি লিংক কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে আসা কোনো ভিডিও শিশুকে নিয়ে যেতে পারে অনুপযুক্ত যৌন কনটেন্টের জগতে। এর প্রভাব শুধু মুহূর্তের কৌতূহলে সীমাবদ্ধ থাকে না; যৌনতা, সম্পর্ক, সম্মতি ও মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ সম্পর্কে শিশুর চিন্তাজগতে তৈরি করতে পারে দীর্ঘস্থায়ী বিভ্রান্তি।
ডিজিটাল যুগে শিশুদের বড় হওয়ার পরিবেশ বদলে গেছে। আগে শিশুর নিরাপত্তা বলতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশকে বোঝানো হতো। এখন সেই নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইন্টারনেটের বিশাল পরিসর। ঘরের দরজা বন্ধ থাকলেও শিশুর স্মার্টফোনের পর্দা দিয়ে বাইরের পৃথিবী তার কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। সেই পৃথিবীতে কোনটি শিক্ষণীয়, কোনটি বিনোদন আর কোনটি ক্ষতিকর—তা বোঝার মতো মানসিক পরিপক্বতা অনেক শিশুরই তৈরি হয়নি।
ফলে পর্নোগ্রাফি ও অনুপযুক্ত যৌন কনটেন্টের সহজলভ্যতা শিশু সুরক্ষার নতুন উদ্বেগ হয়ে উঠেছে। বিষয়টি কেবল ব্যক্তিগত পছন্দ বা নৈতিকতার বিতর্ক নয়; এটি শিশুদের মানসিক বিকাশ, মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার প্রশ্ন।
পর্দার ওপারে ভয়াবহ বাস্তবতা
ঝুঁকির মাত্রা বোঝা যায় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গবেষণায়। ইউনিসেফের ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের এক প্রতিবেদনে ২১টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে বলা হয়েছে, এক বছরে আনুমানিক ২ কোটি শিশু অনলাইনে বা প্রযুক্তির মাধ্যমে যৌন শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের বয়স ১২ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, ১ কোটি ৫০ লাখের বেশি শিশু অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন কনটেন্টের মুখোমুখি হয়েছে।
এই পরিসংখ্যানের পেছনে রয়েছে আরও উদ্বেগজনক একটি বাস্তবতা—ঘটনার অধিকাংশই প্রকাশ্যে আসে না। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, এসব ঘটনার এক শতাংশেরও কম পুলিশ, সমাজকর্মী কিংবা হেল্পলাইনে জানানো হয়েছে। অনেক শিশু ভয়, লজ্জা, অপরাধবোধ কিংবা পরিবারের প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় মুখ খোলে না। কেউ কেউ বুঝতেই পারে না যে তারা অনলাইন নির্যাতন বা শোষণের শিকার হয়েছে।
এখানেই সংকটের গভীরতা। শিশুর অনুপযুক্ত কনটেন্ট দেখা বা এমন কোনো ঘটনার মুখোমুখি হওয়াকে কেন্দ্র করে তাকে দোষারোপ করলে সমস্যার সমাধান হয় না। বরং অপমান, ভয় দেখানো কিংবা কঠোর শাস্তি শিশুকে আরও গোপনীয়তার দিকে ঠেলে দিতে পারে। প্রয়োজন এমন একটি পরিবেশ, যেখানে শিশু নির্ভয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারে এবং পরিবার থেকে পায় সহানুভূতি ও সহায়তা।
কৌতূহল থেকে বিকৃত ধারণা
শৈশব ও কৈশোর মানুষের মানসিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে শিশু চারপাশের পরিবেশ থেকে সম্পর্ক, ভালোবাসা, শরীর, ব্যক্তিগত সীমানা ও সামাজিক আচরণ সম্পর্কে ধারণা তৈরি করে। বয়সের আগেই পর্নোগ্রাফির সংস্পর্শে এলে এসব বিষয়ে তার স্বাভাবিক উপলব্ধি বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগের জায়গা হলো, পর্নোগ্রাফিতে উপস্থাপিত অনেক বিষয় বাস্তব সম্পর্কের প্রতিফলন নয়। সেখানে সম্মতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আবেগ ও দায়িত্বশীলতার জায়গা অনেক সময় অনুপস্থিত থাকে। ফলে শিশু এসব কনটেন্টকে বাস্তবতার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলতে পারে। তৈরি হতে পারে যৌনতা ও সম্পর্ক নিয়ে অবাস্তব প্রত্যাশা, বিভ্রান্তি কিংবা অন্যের ব্যক্তিগত সীমানা সম্পর্কে ভুল ধারণা।
ইউনিসেফও সতর্ক করেছে, অল্প বয়সে পর্নোগ্রাফির সংস্পর্শ শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং যৌনতা, লিঙ্গ ও সম্পর্ক সম্পর্কে ক্ষতিকর ধারণা তৈরি করতে পারে। তাই কেবল ক্ষতিকর কনটেন্ট আটকে দেওয়াই যথেষ্ট নয়; শিশুদের বয়স অনুযায়ী সঠিক তথ্য ও সচেতনতা দেওয়াও জরুরি।
এআইয়ের যুগে ঝুঁকির নতুন চেহারা
প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে শিশুদের অনলাইন ঝুঁকিও বদলে যাচ্ছে। আগে অনুপযুক্ত কনটেন্ট বলতে মূলত ভিডিও, ছবি কিংবা ওয়েবসাইটকে বোঝানো হতো। এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সাহায্যে তৈরি হচ্ছে ভুয়া ছবি, ভিডিও ও যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্ট। কারও ছবি ব্যবহার করে তৈরি করা যেতে পারে আপত্তিকর দৃশ্য, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তাকে হয়রানি বা ব্ল্যাকমেইল করা সম্ভব।
এ ধরনের অপব্যবহার শিশুদের জন্য বিশেষভাবে বিপজ্জনক। কারণ তারা অনেক সময় বুঝতে পারে না, কোন ছবি আসল আর কোনটি কৃত্রিমভাবে তৈরি। আবার পরিচিত কারও ছবি বা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে ভয় দেখানো হলে শিশু মানসিক চাপে পড়ে যেতে পারে। অনলাইন যোগাযোগের আড়ালে অপরাধীরা বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করে ব্যক্তিগত ছবি বা তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করতে পারে। পরে সেসব ব্যবহার করে যৌন ব্ল্যাকমেইল বা সেক্সটর্শনের মতো অপরাধ সংঘটিত হয়।
উই প্রোটেক্ট গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের ২০২৫ সালের বৈশ্বিক মূল্যায়নেও প্রযুক্তিনির্ভর শিশু যৌন শোষণ ও নির্যাতনের কৌশল দ্রুত পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। সংস্থাটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এআই-নির্মিত যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্ট, ডিপফেক, এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ এবং অনলাইন ব্ল্যাকমেইল শিশু সুরক্ষার ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। অর্থাৎ প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সুরক্ষাব্যবস্থাও আধুনিক করা প্রয়োজন।
বাংলাদেশের শিশুরাও ঝুঁকির বাইরে নয়
বাংলাদেশে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। পড়াশোনা, বিনোদন, গেমিং ও সামাজিক যোগাযোগের জন্য অল্প বয়সেই অনেক শিশু স্মার্টফোন ব্যবহার করছে। কিন্তু প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার তুলনায় নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে তাদের প্রস্তুতি কতটা, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
ইউনিসেফ বাংলাদেশের ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১ হাজার ২৮১ জন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী শিশুর ওপর পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ২৫ শতাংশ শিশু ১১ বছর বয়সের আগেই ডিজিটাল জগতে প্রবেশ করেছে। একই জরিপে অনলাইনে ক্ষতিকর কনটেন্ট, যৌন হয়রানি ও সাইবার নিপীড়নের ঝুঁকির বিষয়টিও উঠে এসেছে।
এখানে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক অভিভাবক সন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে দিলেও কীভাবে সেটি ব্যবহার করছে, কার সঙ্গে যোগাযোগ করছে কিংবা কী ধরনের কনটেন্ট দেখছে—সেসব বিষয়ে পর্যাপ্ত খোঁজ রাখেন না। আবার কোনো কোনো পরিবারে ইন্টারনেট ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও শিশুদের সঙ্গে এ বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা হয় না। ফলে কোনো সমস্যায় পড়লেও শিশুরা তা গোপন রাখে।
তবে নজরদারির নামে সন্তানের প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়ন্ত্রণ করাও কার্যকর সমাধান নয়। বরং বয়স অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহারের নিয়ম তৈরি, অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যবহার, অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে নিয়মিত কথা বলা এবং ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা শেখানো জরুরি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত অভিজ্ঞতার কথা জানালে শিশুকে দোষারোপ না করার নিশ্চয়তা দেওয়া।
শুধু নিষেধাজ্ঞা নয়, দরকার ডিজিটাল শিক্ষা
শিশুকে মোবাইল থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দেওয়া সহজ, কিন্তু বাস্তবতা হলো—ডিজিটাল প্রযুক্তি এখন শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তাই প্রযুক্তি থেকে বিচ্ছিন্ন করার বদলে নিরাপদ ব্যবহারের সক্ষমতা তৈরি করাই বেশি জরুরি।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বয়সোপযোগী ডিজিটাল নিরাপত্তা শিক্ষা চালু করা প্রয়োজন। শিশুদের শেখাতে হবে ব্যক্তিগত সীমানা, সম্মতি, গোপনীয়তা, অনলাইন হয়রানি, অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের ঝুঁকি এবং ক্ষতিকর কনটেন্ট দেখলে কী করতে হবে। কোনো অপরিচিত ব্যক্তি ব্যক্তিগত ছবি চাইলে, ভয় দেখালে কিংবা গোপন কিছু করতে বললে কীভাবে বিশ্বস্ত বড় কারও সাহায্য নিতে হবে, সেটিও স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।
জাতিসংঘের শিশু অধিকারবিষয়ক কমিটির জেনারেল কমেন্ট নম্বর ২৫-এ অনলাইন শিশু সুরক্ষাকে জাতীয় শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল পরিবেশে শিশুদের অধিকার রক্ষা, ঝুঁকি প্রতিরোধ, অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত এবং ভুক্তভোগীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের দায়ও এ ক্ষেত্রে কম নয়। শিশুদের জন্য বয়সোপযোগী নিরাপত্তাব্যবস্থা, ক্ষতিকর কনটেন্ট শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ, সহজ রিপোর্টিং ব্যবস্থা এবং অভিযোগের দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিশুদের নিরাপত্তার পুরো দায়িত্ব তাদের কিংবা অভিভাবকের ওপর ছেড়ে দিয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দায় এড়াতে পারে না।
আইন আছে, বাস্তবায়ন কতটা কার্যকর?
বাংলাদেশে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় আইনগত কাঠামো রয়েছে। ২০২৬ সালের সাইবার সুরক্ষা আইনেও যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং, রিভেঞ্জ পর্ন, ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়নসংক্রান্ত উপাদান এবং সেক্সটর্শনের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে বিধান রাখা হয়েছে। তবে আইন প্রণয়নের পাশাপাশি এর কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করাও জরুরি।
কোনো শিশু অনলাইনে যৌন হয়রানি বা ব্ল্যাকমেইলের শিকার হলে দ্রুত অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকতে হবে। অভিযোগের পর তদন্ত ও প্রতিকারের প্রক্রিয়া যেন দীর্ঘসূত্রতায় না পড়ে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী শিশুর পরিচয়, ছবি ও ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। কারণ অভিযোগ জানানোর পর নতুন করে সামাজিক অপমান কিংবা পরিচয় প্রকাশের ভয় তৈরি হলে শিশুরা সাহায্য চাইতে আরও নিরুৎসাহিত হবে।
এ ক্ষেত্রে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, শিশু সুরক্ষা সংস্থা এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শিশুদের জন্য সহজে ব্যবহারযোগ্য সহায়তা ও অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা গড়ে তোলাও সময়ের দাবি।
শৈশব বাঁচাতে বদলাতে হবে দৃষ্টিভঙ্গি
শিশুর হাতে স্মার্টফোন আছে—এটি এখন আর অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়। বরং প্রশ্ন হলো, সেই স্মার্টফোন ব্যবহারের সঙ্গে নিরাপত্তার শিক্ষা কতটা যুক্ত হয়েছে? অভিভাবক কি জানেন, সন্তান অনলাইনে কী দেখছে? শিক্ষক কি জানেন, ডিজিটাল জগতে শিক্ষার্থীরা কী ধরনের ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে? প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কি শিশুদের নিরাপত্তাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে? আর রাষ্ট্র কি অপরাধ প্রতিরোধ ও ভুক্তভোগীদের সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারছে?
পর্নোগ্রাফি ও অনুপযুক্ত যৌন কনটেন্টের ঝুঁকি মোকাবিলায় শুধু ওয়েবসাইট বন্ধ কিংবা মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব নয়। প্রয়োজন পরিবারে আস্থার সম্পর্ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল সচেতনতা, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি এবং রাষ্ট্রের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ।
শিশুকে প্রযুক্তির অন্ধকার দিক থেকে রক্ষা করার দায়িত্ব কেবল তার নিজের নয়। যে বয়সে তার নিরাপদ থাকার কথা, সেই বয়সেই তাকে বিপদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে—এ বাস্তবতা বদলাতে হবে বড়দেরই। কারণ শৈশব রক্ষার লড়াই এখন শুধু ঘরের ভেতরে নয়, ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিটি স্মার্টফোনের পর্দায়।
কালের আলো/এসএ/জেএন
