Kaler Alo
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
২২ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিয়াউর রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয় : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী
কালের আলো

চাঁদপুর সংবাদদাতা, কালের আলো:

প্রকাশিত: নভেম্বর ৭, ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম

ঈশানবালা চরে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা

চাঁদপুর সংবাদদাতা, কালের আলো:

প্রকাশিত: নভেম্বর ৭, ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম

ঈশানবালা চরে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা

মেঘনা নদীবেষ্টিত চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার দুর্গম ঈশানবালা চরে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে চরটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।

অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে চরাঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে ওঠার পাশাপাশি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। এতে দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের মূলধারা থেকে পিছিয়ে থাকা এলাকার অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে প্রতিনিধি দলটি ঈশানবালা চর পরিদর্শন করে। এ সময় চরটির ভৌগোলিক অবস্থান, জমির প্রাপ্যতা, যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং শিল্পকারখানা স্থাপনের উপযোগিতা পর্যালোচনা করা হয়।

মেঘনা নদীবেষ্টিত দুর্গম এই চর দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা ও শিল্পায়নের অভাবে পিছিয়ে রয়েছে। কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ কম থাকায় জীবিকার তাগিদে অনেককেই এলাকার বাইরে যেতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাইয়ের উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সৃষ্টি করেছে।

পরিদর্শনকালে বিডা চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ঈশানবালা চরে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই করতেই তারা সরেজমিনে এসেছেন। এখানকার ভৌগোলিক অবস্থান, জমির প্রাপ্যতা, যোগাযোগব্যবস্থা ও শিল্পকারখানা স্থাপনের উপযোগিতা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সব দিক বিবেচনায় নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে। বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, হাইমচরের ঈশানবালা চর অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য সম্ভাবনাময় এলাকা। এখানে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা সম্ভব হলে চাঁদপুরসহ আশপাশের অঞ্চলে শিল্পায়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি বিপুল মানুষের কর্মসংস্থান, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, এ অঞ্চলে শিল্পায়নের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

নীলকমল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনির হোসেন বলেন, ঈশানবালায় শিল্পায়ন হলে এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হবে। দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে থাকা এ অঞ্চলে নতুন কর্মসংস্থানের পথ খুলবে। তাই উদ্যোগটি বাস্তবে রূপ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন তারা।

পরিদর্শনকালে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

Link copied!