Kaler Alo
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
১৯ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী
কালের আলো

কালের আলো ডেস্ক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৪, ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম

৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ ঘিরে দেশজুড়ে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি

কালের আলো ডেস্ক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৪, ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম

৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ ঘিরে দেশজুড়ে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি

আগামী ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নানা আয়োজনের পাশাপাশি থাকছে বিশেষ প্রার্থনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও শিশুদের জন্য বিনোদনমূলক কর্মসূচি।

গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় এসব কর্মসূচি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়।

  • সাধারণ ছুটি, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী, সারা দেশে বিশেষ প্রার্থনা ও মিলাদ মাহফিল
  • শিশুদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে সব পার্ক, থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দেবেন। এদিন দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি পালিত হবে। দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। পাশাপাশি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার উদ্যোগে দেশের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপগুলো জাতীয় পতাকায় সাজানো হবে।

জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় দেশের সব মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

দিবসটি উপলক্ষে হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্র, শিশু পরিবার, শিশুসদন, কিশোর সংশোধনী কেন্দ্র, শান্তি নিবাস ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানগুলোতে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। শিশুদের বিনোদনের জন্য দেশের সব সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় শিশু পার্কগুলো দিনব্যাপী বিনা টিকিটে উন্মুক্ত রাখা হবে।

এ ছাড়া নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আয়োজন করা হবে বিশেষ আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতা।

দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমেও থাকবে বিশেষ আয়োজন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোতে বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য-সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিওতে প্রচার করা হবে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। পাশাপাশি সিনেমা হল ও ভ্যানের মাধ্যমে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হবে।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে দেশাত্মবোধক গানের আসর। দেশের সব জেলা ও উপজেলায় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার পাশাপাশি জেলা সদর ও উপজেলা পর্যায়ে প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হবে।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ স্মারক আলোচনা সভা। অন্যদিকে সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মিলাদ মাহফিল, প্রীতিভোজ ও বিশেষ দরবারের আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশ ক্যাডেট কোরের তত্ত্বাবধানে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বর্ণাঢ্য ডিসপ্লে।

এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও ভিডিপি, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, কোস্ট গার্ড, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, এনটিএমসি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদর দপ্তরগুলোতে মিলাদ মাহফিল, প্রীতিভোজ ও বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে।

সরকারের গৃহীত এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরা এবং দেশজুড়ে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/আরআই/এএইচ

Link copied!