Kaler Alo
রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬
২৩ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিয়াউর রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয় : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী
কালের আলো

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো

প্রকাশিত: নভেম্বর ৮, ২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও পাবেন একই পে স্কেল: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো

প্রকাশিত: নভেম্বর ৮, ২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও পাবেন একই পে স্কেল: শিক্ষামন্ত্রী

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও অন্যদের মতো একই পে স্কেল পেতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে যে বেতন বৈষম্য ছিল, তা দূর করে সবাইকে একই পে স্কেলের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রোববার (৮ নভেম্বর) বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বছর শিক্ষা খাতে সর্বাধিক বাজেট পাওয়া গেছে এবং সবাই নতুন পে স্কেল পেয়েছেন। এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা যে জায়গায় কিছুটা পিছিয়ে ছিলেন, তা দূর করে সবাইকে একই পে স্কেলের আওতায় আনা হচ্ছে। শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

শিগগিরই পে স্কেল পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা
এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কিছু দিনের মধ্যেই নতুন পে স্কেল পেতে যাচ্ছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আগামী দিনের শিক্ষা ব্যবস্থা একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষকদের প্রস্তুত হতে হবে। কারণ, বিশ্ব এখন একটি গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও ক্যালিফোর্নিয়া থেকে প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশ থেকে ৩৪৭ জন স্থান পেয়েছেন। এসব বিজ্ঞানীকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি বিশেষ কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে যাঁদের লেখা, গবেষণা ও গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয়েছে, তাঁদের নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির বিষয়ে সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই কাম্য নয়।

শিক্ষকদের গবেষণায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান
শিক্ষকদের গবেষণায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষকতার পাশাপাশি প্রত্যেকের গবেষণায় মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। কয়েক বছর শিক্ষকতা করার পর পিএইচডিসহ উচ্চতর গবেষণায় যুক্ত হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, লেকচারারশিপ শেষ করে অধ্যাপক হওয়ার পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে গবেষণার এ প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করা উচিত। শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। কোনোভাবেই এ প্রযুক্তির অপব্যবহার করা যাবে না।

কালের আলো/এসএ/এমএএইচ

 

Link copied!