Kaler Alo
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
১৯ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী
কালের আলো

কালের আলো ডেস্ক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৪, ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম

পোশাকশিল্পে অস্থিরতার নেপথ্যে কারা, গোয়েন্দাদের তালিকায় ১৪৪ জন!

কালের আলো ডেস্ক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৪, ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম

পোশাকশিল্পে অস্থিরতার নেপথ্যে কারা, গোয়েন্দাদের তালিকায় ১৪৪ জন!

একটি শিল্প, হাজারো কারখানা, লাখো শ্রমিক। দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক খাতকে ঘিরে এখন নতুন এক অনুসন্ধান। শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে কারা কলকাঠি নাড়ছেন? কারা মাঠে থেকে আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে নেওয়ার চেষ্টা করছেন? আর কারাই বা দিচ্ছেন নেপথ্যের নির্দেশনা? গোয়েন্দাদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ১৪৪ জনের নাম। অভিযোগ, পোশাকশিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা তৈরির সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে সম্পৃক্ত তারা। এরই মধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন ৩৮ জন। বাকিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে চলছে অভিযান।

সবচেয়ে আলোচিত যে নামটি এসেছে, তিনি সাবেক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, গ্রেফতার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে নাশকতার পরিকল্পনা ও নির্দেশনার প্রসঙ্গে তার নাম উঠে এসেছে। পাশাপাশি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগও তদন্ত করা হচ্ছে। কিন্তু এই ১৪৪ জন কারা? কী তাদের পরিচয়? কোন শিল্পাঞ্চলে কারা সক্রিয়?

  • নাশকতার নির্দেশনার অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী মোজাম্মেল হকের নাম 
  • তালিকায় রাজনৈতিক নেতা, শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও কারখানার কর্মী, গ্রেফতার ৩৮ 
  • বাকিদের খুঁজছে গোয়েন্দার

গ্রেফতার আজগর, আলোচনায় মোজাম্মেল
গোয়েন্দাদের অনুসন্ধানে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম আজগর আলী। নিষিদ্ধ ঘোষিত শ্রমিক লীগের এই নেতাকে গত ৩১ অক্টোবর গ্রেফতার করা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিজের রাজনৈতিক পরিচয় আড়াল করতে তিনি যুক্ত হন গাজীপুর জেলা গার্মেন্ট টেইলার্স ওয়ার্কার্স ফেডারেশনে। সংগঠনটির সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।

জিজ্ঞাসাবাদে আজগর জানিয়েছেন শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি ও নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়ে সাবেক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের নির্দেশনা ছিল। এমনকি তাকে গ্রেফতারের সময় মোজাম্মেলের ফোন নম্বর থেকে একাধিকবার কল আসছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের বাসিন্দা আজগরের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি বহু মানুষকে পোশাক কারখানায় চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। এ কারণে শ্রমিকদের একটি অংশের মধ্যে তার প্রভাব রয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

সাবেক এমপির এপিএস থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা
১৪৪ জনের তালিকায় নারায়ণগঞ্জের একাধিক রাজনৈতিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতার নাম রয়েছে। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুর এপিএস মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ। আছেন শ্রমিক লীগ ফতুল্লা আঞ্চলিক শাখার সভাপতি হাবিবুল কবির, সিনিয়র সহসভাপতি আলমগীর হোসেন এবং শ্রমিক লীগ নেতা কাউসার আহমেদ পলাশের সহযোগী পারভেজ। তালিকায় আরও রয়েছে যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন, সোনারগাঁয়ের সাবেক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল কাশেম মোল্লা, জামপুর ইউনিয়নের সাবেক সহসভাপতি হযরত আলী, কাঁচপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম এবং ছাত্রলীগ নেতা ফাহিম প্রধান। এ ছাড়া ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগ নেতা মো. হৃদয়, মোহাম্মদ পারভেজ, জেলা ছাত্রলীগ নেতা আল ইমরান, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা হাজি আক্তার নূর এবং আড়াইহাজারের আল মামুন পারভেজের নামও এসেছে।

মিরপুরে ১১ জনের পরিচয় নিয়েও তদন্ত
মিরপুরে সাম্প্রতিক অভিযানে গ্রেফতার হওয়া ১১ জনের সবাই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি গোয়েন্দাদের। তাদের মধ্যে রয়েছেন শ্রমিক লীগের সহসাধারণ সম্পাদক কামাল গাজী। পুলিশের দাবি, শ্রমিক অসন্তোষের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ছড়ানোর অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গাজীপুরে শ্রমিক সংগঠনের পরিচিত মুখ কারা?
গাজীপুরের তালিকাটি আরও বিস্তৃত। এখানে রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রমিক ফেডারেশন ও ট্রেড ইউনিয়নের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের নাম এসেছে। গ্রেফতার হওয়া ১০ জনের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মোরশেদ আলম কাউছার, গ্রিন বাংলা গার্মেন্ট ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রোজিনা আক্তার সুমি এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের তথ্য সম্পাদক মোস্তফা কামাল।

এ ছাড়া 'গাজীপুর গার্মেন্ট শ্রমিক' নামের ফেসবুক পেজের অ্যাডমিন ফুয়াদুর রহমান নির্জন ও শ্রীপুর থানা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আলতাফ হোসেনের নামও রয়েছে গ্রেফতার ব্যক্তিদের তালিকায়। তবে এখানেই শেষ নয়। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে যাদের নাম এসেছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, ঢাকা ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সহসভাপতি জয়নাল আবেদীন, বাংলাদেশ সোয়েটার ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার।

আছেন গার্মেন্ট শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক মোশরেফা মিশু, মুক্ত গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের গাজীপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক সাগর আহমেদ বাদশা এবং গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি ডলি আক্তার রেহেনা। রাজনৈতিক পরিচয়ে তালিকায় রয়েছেন শ্রমিক লীগ নেতা লুৎফর রহমান ও কবির আহমেদ মণ্ডল। পাশাপাশি রাসেল মণ্ডল, জালাল হাওলাদার, আমিনুল ইসলাম, সালেহা ইসলাম শান্তনা, আল-আমিন ইসলাম, স্মৃতি আক্তার, সত্যজিৎ বিশ্বাস, মোহাম্মদ তাওহিদ মিয়া, শরীফ মিয়া, ইকবাল কবির, কফিল উদ্দিন, শাহীন ভূঁইয়া, আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, হাসনা আলম আসমা, মানিক, আলম ও আতিকুর রহমানের নামও এসেছে প্রতিবেদনে।

সাভার-আশুলিয়ায় নজরদারিতে আরও একাধিক শ্রমিক নেতা
সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলেও সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বেশ কয়েকজন শ্রমিক সংগঠনের নেতাকে। তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম সুজন, বাংলাদেশ গার্মেন্ট ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইন সম্পাদক খায়রুল মামুন মিন্টু এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ সারোয়ার। এ ছাড়া আল কামরান, ফরিদুল ইসলাম ফরিদ, মিজানুর রহমান বড়, ইসমাইল হোসেন ঠাণ্ডু, আনিসুর রহমান ছোট, ইমন শিকদার, মোছা. নাজমা আক্তার, রাসেল প্রামাণিক, জাহাঙ্গীর আলম ছোট ও জাহিদুর রহমান জীবনের নামও রয়েছে তালিকায়।

শুধু নেতা নন, তালিকায় কারখানার অপারেটরও
গোয়েন্দাদের অনুসন্ধানের সবচেয়ে চমকপ্রদ অংশ হলো—তালিকায় শুধু রাজনৈতিক নেতা কিংবা শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা নেই। রয়েছেন বিভিন্ন কারখানায় কাজ করা শ্রমিকও। কালিয়াকৈর ও আশপাশের কারখানার সিনিয়র অপারেটর বাহাদুর মিয়া, হিমেল সরকার, বাবু মিয়া, কাজী ওয়াহিদ, আনিসুর রহমান ও খুকি বেগমের নাম এসেছে।

এ ছাড়া জুনিয়র অপারেটর ফজলুর রহমান, কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর নাসির উদ্দিন ও আমির হোসেন, অপারেটর গিয়াস উদ্দিন, দীপঙ্কর চন্দ্র বর্মণ, রত্না বেগম ও মোসাম্মৎ নাসরিনের নামও রয়েছে। তালিকায় আছেন আবু তালেব, জসীমউদ্দীন, শ্যামলী আক্তার, মতিন উদ্দিন, জাহাঙ্গীর, আব্দুল আলিম, আব্দুল ওয়াহাব এবং হা-মিম গ্রুপে কর্মরত আখতারুজ্জামান। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যায় থেকে নাম এসেছে কালিয়াকৈরের সাবেক কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা খাত্তাব মোল্লা এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও গাজীপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি সেলিমের।

নারায়ণগঞ্জের আরও যেসব নাম
নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের মধ্যেও কয়েকজনকে নজরদারিতে রেখেছে গোয়েন্দারা। তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের জেলা সভাপতি এম এ শাহীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, শ্রমিক নেতা মাহবুব আলম ইসমাইল, জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের জেলা সভাপতি গাজী নূরে আলম, গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি রবিন এবং শ্রমিক ফেডারেশনের জেলা সাধারণ সম্পাদক শরিফ হোসেন।

কেন এত উদ্বেগ পোশাকশিল্প ঘিরে?
গাজীপুরেই রয়েছে প্রায় ২ হাজার ৭০০ পোশাক কারখানা। ভোগড়া সড়ক এলাকায় কারখানার সংখ্যা প্রায় ৩০০। ৫০টিরও বেশি বড় কারখানায় কাজ করেন পাঁচ হাজারের বেশি শ্রমিক। এমন একটি শিল্পাঞ্চলে সামান্য উত্তেজনাও বড় ধরনের উৎপাদন বিপর্যয় তৈরি করতে পারে। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, স্টারলিং অ্যাপারেলস, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার, ট্রপিক্যাল নিটেক্স ও অ্যাসেন্সিয়াল ক্লোদিংয়ের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

পুলিশের অভিযোগ, আন্দোলনের বিভিন্ন পয়েন্টে মাস্ক পরা কিছু বহিরাগতকে দেখা গেছে। তাদের প্রকৃত পরিচয় ও শ্রমিক হিসেবে সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হচ্ছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস আই সাবজুল ইসলামের বিরুদ্ধেও শ্রমিক মিছিলে অংশ নেওয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার অভিযোগ করেছে পুলিশ।

নাশকতার আগাম তথ্য
পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, পোশাকশিল্পকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা নিয়ে গত ১০ অক্টোবরই একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। শ্রমিকদের বেতন ও জীবনযাত্রার মান নিয়ে অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে একটি পক্ষ নাশকতার পরিকল্পনা করছে বলে সেখানে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও পুলিশ সুপারদের সতর্কবার্তাও পাঠানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছিল, শ্রমিকদের জীবনমান ও বেতন উন্নয়নে সরকার আন্তরিক। আগামী ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন নিম্নতম মজুরি বোর্ড ঘোষণার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এসব উদ্যোগের পরও ১ নভেম্বর থেকে আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

নেপথ্যের তথ্য শিগগিরই প্রকাশ
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, পোশাকশিল্পে চলমান অস্থিরতার পেছনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একটি অংশের উসকানি রয়েছে বলে তারা তথ্য পেয়েছেন। ইতোমধ্যে একাধিক নেতাকে আটক করা হয়েছে। তাদের একজন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের প্রচার সম্পাদক। তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ডিবিপ্রধান। শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমকে

Link copied!