সেনাপ্রধানের কাতার সফরে খুলেছে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন দুয়ার

প্রকাশিতঃ 8:37 pm | November 28, 2022

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

বাংলাদেশ ও কাতার সেনাবাহিনীর মধ্যকার নিবিড় যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছিল প্রায় ৫ মাস আগে। ওই সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন কাতার সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল (পাইলট) সালেম হামাদ আল-আকীল আল-নাবেত।

প্রায় ৫ মাস পর কাতার সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফের আমন্ত্রণে এবার দেশটি সফর করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। দেশ দুটির পারস্পরিক সম্পর্কোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ এই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতায় নতুন যুগের সূচনা করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এর আগেও চলতি বছরের মার্চে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান কাতারে সরকারি সফরে বিআইএমডিইএক্স’র প্রদর্শনীতে যোগ দিয়েছিলেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, চারদিনের সরকারি সফরে গত বুধবার (২৩ নভেম্বর) কাতারের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন সেনাপ্রধান। রোববার (২৭ নভেম্বর) তিনি দেশে ফিরে আসেন।

সফরকালে তিনি কাতার সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল (পাইলট) সালেম হামাদ আল-আকীল আল-নাবেত এবং ‘কমান্ডার অফ এমিরি গার্ড’ লেফটেন্যান্ট জেনারেল হাজ্জা বিন খলিল আল শাওয়ানি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতকালে তাঁরা দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ভবিষ্যতে এই সম্পর্কের ক্রমাগত উন্নতির বিষয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা করেন।

আইএসপিআর আরও জানায়, সফরকালে সেনাপ্রধান কাতার সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থাপনাসমূহ পরিদর্শন করেন। সেনাবাহিনী প্রধানের উদ্যোগে কাতার সশস্ত্র বাহিনী এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সার্বিকভাবে দেশের উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে কাজ করছে।

প্রসঙ্গত, এই বছরের সোমবার (০৬ জুন) কাতার সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল (পাইলট) সালেম হামাদ আল-আকীল আল-নাবেত বাংলাদেশ সফরকালে বুধবার (০৮ জুন) ৮২তম বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশনপ্রাপ্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন।

ওই সফরে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রণপ্রস্তুতি, উন্নত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, বিশ্বশান্তিতে ভূমিকা এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাঠামো সম্পর্কে অবহিত হয়ে সেনাবাহিনীর বর্তমান নেতৃত্ব এবং সামগ্রিক উচ্চমান সম্পর্কে ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

Print Friendly, PDF & Email