পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জিং স্কোর দিলো বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ 10:27 am | October 13, 2022

স্পোর্টস ডেস্ক, কালের আলো:

২৪ ঘণ্টা আগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দলের হাল ধরেও উদ্ধার করতে পারেননি সাকিব আল হাসান। আজ বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের বিপক্ষেও জ্বলে উঠলেন তিনি। খেললেন কার্যকারী ইনিংস। সেই সঙ্গে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস উপহার দিয়েছেন লিটন দাস। দুই ব্যাটারের কল্যানে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে ১৭৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ।

ক্রাইস্টচার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে স্কোরবোর্ডে ১৭৩ রান তুলেছে বাংলাদেশ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেছেন লিটন দাস। ৪২ বলে তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল ৬ বাউন্ডারি আর দুটি ছক্কায়।

এদিন পাকিস্তানের বিপক্ষে ফের ওপেনিং জুটিতে পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ। আজ নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ওপেন করানো হয় সৌম্য সরকারকে। কিন্তু সাফল্য আসেনি তাতে। তিন ওভারও টিকেনি বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে সৌম্যকে বিদায় করে এই জুটি ভাঙেন নাসিম শাহ। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে নাসিম শাহর লেগ স্টাম্পের ওপর লেংথ বল মিড-অন ফিল্ডারের মাথার ওপর দিয়ে খেলার চেষ্টা করেন সৌম্য। কিন্তু ঠিকঠাক খেলতে পারেননি। মিড-অনে সহজ ক্যাচ নিয়ে তাঁকে সাজঘরে পাঠান শাদাব খান। ৪ রানে ফেরেন সৌম্য, দলীয় ৭ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

উইকেটে থাকা আরেক ওপেনার শান্তও খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। ৯ বলে রানের খাতা খোলা শান্ত বিদায় নেন ১৫ বলে ১২ করে। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে অনেকটা চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ।

সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করেন সাকিব আল হাসান ও লিটন দাস। দুজনে মিলে গড়ে তোলেন ৫৫ বলে ৮৮ রানের চমৎকার জুটি। এই জুটিতেই মূলত লড়াইয়ের ভিত গড়ে নেয় বাংলাদেশ। এর মধ্যে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবার হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়ে যান লিটন। শাদাব খানের বল পয়েন্টে ঠেলে দিয়ে সিঙ্গেল নিয়ে ৩১ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন ডানহাতি এই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত খলেন ৬৯ রানের ইনিংস। যেটা তাঁর টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। এই ফরম্যাটে আগের সেরা ছিল ৬১ রান।

১৫তম ওভারে লিটনের প্রতিরোধ ভাঙে পাকিস্তান। এরপর আফিফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে দলকে শক্ত পুঁজি দিতে লড়াই করেন সাকিব। গত ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করা সাকিব আজও খেললেন বড় ইনিংস। মাত্র ৩৪ বলে আজ তুলে নিলেন হাফসেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল সাত বাউন্ডারি আর তিন ছক্কা দিয়ে। সাকিব ফেরার পর শেষ দিকে আফিফ হোসেন করেন ১১রান। তাঁর সঙ্গে নুরুল হাসান সোহান করেন ২ রান।

কালের আলো/ডিএস/এমএম

Print Friendly, PDF & Email