চীনে ৯৯ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ 2:03 pm | August 07, 2022

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো:

চীনের বাজারে বাংলাদেশ ৯৯ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত রফতানি সুবিধা পাবে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

রোববার (৭ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে সকাল পৌনে ৮টার দিকে বৈঠকে বসেন দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তারা দেড় ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেন।

বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম সাংবাদিকদের জানান, আমাদের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি রপ্তানিনির্ভর। দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে চীন আরও ১ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সে কারণে বাংলাদেশ এখন থেকে চীনের বাজারে ৯৯ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চীন আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে আরও অতিরিক্ত ১ শতাংশে ডিউটি ফ্রি সুবিধা দেবে। এই অতিরিক্ত ১ শতাংশের মধ্যে আমি মনে করি, বাংলাদেশের বিশেষ করে গার্মেন্টস ও ওভেন প্রোডাক্টসে কিছু লিমিটেশন ছিল। আরও বেশি কিছু প্রোডাক্টে লিমিটেশন ছিল। আমরা বিকেল নাগাদ তালিকাটা হাতে পাব।

তিনি বলেন, কমার্শিয়াল কাউন্সিলর দূতাবাসে ফিরে গেলে তালিকাটা প্রেসকে দেবে বলেছেন। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি আমাদের এই এক্সট্রা ১ শতাংশ পণ্য ও সেবায় বাংলাদেশ থেকে চীন ডিউটি ফ্রি প্রবেশের সুযোগ দেবে।

শাহরিয়ার আলম বলেন, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন- সামনের দিনে জয়েন্ট ফিজিবিলিটি ফর পসিবল প্রায়োরিটি বিজনেস বা ট্যারিফ চুক্তি এটা নিয়ে আলোচনার ব্যাপারে সম্মতি আছে। বাংলাদেশের ইকোনমিক জোনে বিশেষ করে আনোয়ারাতে যে চাইনিজ ইকোনমিক জোন তৈরি হচ্ছে, সেখানে অধিক পরিমাণ চীনা কারখানা, প্রযুক্তি স্থানান্তর করতে তারা সহায়তা করবেন।

আগামীতে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে একটা পিপিপি কো-অপারেশন এমওইউ সই করতে চায় বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

শাহরিয়ার আলম বলেন, বৈঠকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি তাড়াতাড়ি চালুর জন্য আমাদের তাগাদা দিয়েছেন চীন। বাংলাদেশের তরফ থেকে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে। বাংলাদেশ বিমান চীনে সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে, এটাকে স্বাগত জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, এফডিআই বাড়ানোর জন্য আমরা একসঙ্গে কাজ করব। এটা বাংলাদেশের তরফ থেকে, শেখ হাসিনা সরকারের তরফ থেকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেছেন, আমাদের বাণিজ্যিক ভারসাম্য কমিয়ে আনা প্রয়োজন, এটা একটা বড় ইস্যু।

কালের আলো/বিএস/বিএবি

Print Friendly, PDF & Email