৪০ মিনিট কান্না করেও বিমানে উঠতে পারলেন না ঋতুপর্ণা

প্রকাশিতঃ 12:44 pm | March 31, 2022

শোবিজ ডেস্ক, কালের আলো:

ভারতীয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ভোরের বিমানে গন্তব্য ছিল কলকাতা থেকে আহমেদাবাদ। বোর্ডিংয়ের সময় ভোর ৪টা ৫৫ মিনিট ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত পৌঁছেছেন ৫টা ১২ মিনিটে। এয়ারলাইন কর্মীদের ৪০ মিনিট ধরে কাঁদতে কাঁদতে অনুরোধ করেছিলেন এই অভিনেত্রী। যাতে তাকে বিমানে উঠতে দেওয়া হয়। কিন্তু তারা তার অনুরোধ উপেক্ষা করেন। শেষ পর্যন্ত ফ্লাইট মিস করেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

সেখানে একটি ছবির শুটিংয়ে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু বিমান সংস্থার অবহেলার কারণে তার পরিকল্পনাটি নষ্ট হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ঘটনাটি শেয়ার করে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি। ঋতুপর্ণা লিখেছেন, আহমেদাবাদের ফ্লাইট ধরার জন্য কলকাতা এয়ারপোর্টে যাত্রীদের ১৯ নম্বর গেট দিয়ে বোর্ডিংয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল ৪টা ৫৫ মিনিটে। কিন্তু তিনি সেখানে পৌঁছান ৫টা ১০ থেকে ৫টা ১২ মিনিটের মধ্যে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে জানানো হয়, বোর্ডিং গেট অনেকক্ষণ আগেই বন্ধ হয়ে গেছে।

এয়ারলাইন্সে ভ্রমণ অভিজ্ঞতা কথা বলে লিখেছেন, এই এয়ারলাইন্সে কমপক্ষে ৭-৮ বার ভ্রমণ করেছেন। এমনকী এয়ারলাইন্সের কর্মীদের অনুরোধে তাদের সঙ্গে ছবিও তুলেছেন। কোনো ধরনের দোষ ছাড়াই তাকে বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন ঋতুপর্ণা। বিমান কর্তৃপক্ষ বলছে তারা আমার নাম ঘোষণা করেছে ও ফোন করেছে। কিন্তু আমি কোনো কল পাইনি। বিমান কর্তৃপক্ষকে আমি বার বার অনুরোধ করেছি। সঠিক সময়ে শ্যুটিং না গেলে প্রযোজকের সমস্যা হবে। শুটং বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু তারা আমার কোনো কথা কানে তোলেননি।

ঋতুপর্ণা জানান, টানা ৪০ মিনিট তার সঙ্গে কথা হয় কর্মীদের। এক পর্যায়ে কাঁদতে কাঁদতে তাদের অনুরোধ করেন বিমানে উঠতে দিতে। কিন্তু তার সমস্যা কেউ বুঝতেই চাননি। অথচ তিনি দেখতে পান বিমানটি তখনো দাঁড়িয়ে। বিমানে ওঠার সিঁড়িও খুলে নেওয়া হয়নি। অভিনেত্রী বলেন, মাত্র ৫০ পা দূরে বিমান দাঁড়িয়ে। আমি দেখতে পাচ্ছি; কিন্তু যেতে পারছি না। অথচ আমার বোর্ডিং পাস থেকে শুরু করে সিট নম্বর সব আছে।

জনপ্রিয় টালি অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা বলেন, পুরো বিমানবন্দরের লোকজন আমার দিকে তাকিয়ে ছিল, যেন এখানে একটি সিনেমার শুটিং হচ্ছে । আর আমি এমন একজন নারীর চরিত্রে অভিনয় করছি যে বড় সমস্যায় রয়েছে। এই হয়রানি, সময় নষ্ট ও আর্থিক ক্ষতির ক্ষতিপূরণ কে দেবে? আমি এর জবাব চাই।

কালের আলো/এমএইচ/জেআর

Print Friendly, PDF & Email