Kaler Alo
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
২২ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিয়াউর রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয় : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী
কালের আলো

ড. হারুন রশীদ

প্রকাশিত: নভেম্বর ৭, ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম

অতীত বদলানো যায় না, ভবিষ্যৎ বদলানো যায়

ড. হারুন রশীদ

প্রকাশিত: নভেম্বর ৭, ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম

অতীত বদলানো যায় না, ভবিষ্যৎ বদলানো যায়

মানুষের জীবনে এমন কিছু দরজা আছে, যার সামনে দাঁড়িয়ে যতই কড়া নাড়া হোক, তা আর খোলে না। গতকাল তেমনই একটি দরজা। সেখানে ফিরে যাওয়া যায় না, ভুলগুলো মুছে ফেলা যায় না, হারানো মানুষকে ফিরিয়ে আনা যায় না, নেওয়া সিদ্ধান্তের ফলাফলও অস্বীকার করা যায় না। অতীত তাই মানুষের সবচেয়ে বড় শিক্ষক, আবার কখনো কখনো সবচেয়ে কঠিন বিচারকও।

কিন্তু মানুষের হাতে একটি অমূল্য সুযোগ থাকে—আজ। আজকের দিনটি শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সেটি বর্তমান; আর ঘড়ির কাঁটা একটু এগোলেই সেটি অতীত। আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমরা যে অতীত নিয়ে এত আক্ষেপ করি, তার বড় একটি অংশ তৈরি হয় আমাদেরই গতকালের বর্তমান দিয়ে। অর্থাৎ আজ আমরা যা করছি, কাল সেটিই আমাদের স্মৃতি, ইতিহাস কিংবা অভিজ্ঞতা হয়ে ফিরে আসবে।

এই সহজ সত্যটিই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হতে পারে: অতীত বদলানো যায় না, কিন্তু ভবিষ্যৎ বদলানো যায়। আর ভবিষ্যৎ বদলানোর একমাত্র বাস্তব জায়গা হলো বর্তমান।

মানুষের হাতে একটি অমূল্য সুযোগ থাকে—আজ। আজকের দিনটি শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সেটি বর্তমান; আর ঘড়ির কাঁটা একটু এগোলেই সেটি অতীত। আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমরা যে অতীত নিয়ে এত আক্ষেপ করি, তার বড় একটি অংশ তৈরি হয় আমাদেরই গতকালের বর্তমান দিয়ে। অর্থাৎ আজ আমরা যা করছি, কাল সেটিই আমাদের স্মৃতি, ইতিহাস কিংবা অভিজ্ঞতা হয়ে ফিরে আসবে।

আমরা প্রায়ই অতীতের কাছে আটকে থাকি। কেউ ব্যর্থ পরীক্ষার কথা ভাবেন, কেউ হারানো সুযোগের কথা, কেউ ভুল সিদ্ধান্তের কথা, কেউ সম্পর্কের ভাঙনের কথা। ব্যক্তি যেমন অতীতের ভুলের ভার বহন করেন, রাষ্ট্রও তেমনি তার ইতিহাসের সাফল্য ও ব্যর্থতার উত্তরাধিকার বহন করে। কিন্তু অতীতকে বারবার বিশ্লেষণ করা আর অতীতে বসবাস করা এক বিষয় নয়। অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন, অতীতের মধ্যে বসবাস করা নয়।

একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় ভালো করতে পারেনি। ফল প্রকাশের পর সে চাইলে সারাক্ষণ বলতে পারে—প্রশ্ন কঠিন ছিল, সময় কম ছিল, শিক্ষক ভালো পড়াননি। এসবের কিছু সত্যও হতে পারে। কিন্তু তাতে ফলাফল বদলাবে না। বরং সে যদি নিজের দুর্বলতা চিহ্নিত করে পরবর্তী পরীক্ষার জন্য পরিকল্পনা করে, তবে একই অতীত তার ভবিষ্যতের সাফল্যের ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে। ব্যক্তিজীবনের এই সূত্র রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও সমান সত্য।

একটি দেশ তার অতীতের অর্থনৈতিক ভুল, রাজনৈতিক সংকট, প্রশাসনিক দুর্বলতা কিংবা উন্নয়ন পরিকল্পনার সীমাবদ্ধতা একদিনে মুছে ফেলতে পারে না। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতার আলোকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যে দেশ ভুল থেকে শেখে, তার অতীত বোঝা হয়ে থাকে না; তা হয়ে ওঠে ভবিষ্যতের পাথেয়। এ কারণেই বর্তমানকে অবহেলা করার সুযোগ নেই।

আমাদের জীবনে সবচেয়ে অবমূল্যায়িত শব্দগুলোর একটি হলো ‘আজ’। গতকাল নিয়ে আমাদের দীর্ঘশ্বাস আছে, আগামীকাল নিয়ে আমাদের স্বপ্ন আছে; কিন্তু আজকের কাজটি অনেক সময় অনিশ্চিত থেকে যায়। আমরা ভবিষ্যতে ভালো কিছু করার পরিকল্পনা করি, কিন্তু সেই ভবিষ্যতের জন্য আজ কী করছি, তার হিসাব রাখি না।

বাস্তবতা হলো, ভবিষ্যৎ কোনো এক সকালে হঠাৎ দরজায় এসে দাঁড়ায় না। প্রতিদিনের ছোট ছোট সিদ্ধান্ত, অভ্যাস, বিনিয়োগ, শিক্ষা, পরিশ্রম ও শৃঙ্খলার ওপর দাঁড়িয়ে ভবিষ্যৎ তৈরি হয়। একটি শিশুর ভবিষ্যৎ তার জন্মের দিন নির্ধারিত হয়ে যায় না। তার শিক্ষা, পুষ্টি, পারিবারিক পরিবেশ, মানসিক বিকাশ, মূল্যবোধ এবং সামাজিক সুযোগ তাকে ধীরে ধীরে গড়ে তোলে। একইভাবে একটি প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ শুধু তার বর্তমান আয় দিয়ে নির্ধারিত হয় না; নির্ধারিত হয় সে গবেষণায় কতটা বিনিয়োগ করছে, কর্মীদের কতটা দক্ষ করে তুলছে এবং পরিবর্তিত পৃথিবীর সঙ্গে নিজেকে কতটা মানিয়ে নিচ্ছে।

রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। আজকের শিক্ষা বাজেট, আজকের স্বাস্থ্যনীতি, আজকের অবকাঠামো, আজকের প্রযুক্তি বিনিয়োগ, আজকের পরিবেশনীতি—সবকিছুই কয়েক দশক পর দেশের বাস্তবতা নির্ধারণ করবে। অর্থাৎ আজকের বাজেট শুধু আজকের খরচ নয়; এটি আগামী দিনের সম্ভাবনারও ঘোষণা।

একটি রাস্তা নির্মাণ করলে শুধু যান চলাচলের সুবিধা তৈরি হয় না; তার পাশে ব্যবসা গড়ে ওঠে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, জমির মূল্য বদলায়, মানুষের চলাচলের ধরন বদলায়। একটি মানসম্মত বিদ্যালয় তৈরি করলে শুধু একটি ভবন তৈরি হয় না; সেখানে ভবিষ্যতের নাগরিক তৈরি হয়। একটি গবেষণাগারে বিনিয়োগ করলে শুধু কিছু বৈজ্ঞানিক প্রকল্প হয় না; ভবিষ্যতের প্রযুক্তি, শিল্প ও অর্থনীতির ভিত্তি তৈরি হয়। তাই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা মানে শুধু বড় বড় প্রকল্পের তালিকা নয়। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো—আজকের সিদ্ধান্তের দীর্ঘমেয়াদি ফল কী হবে, সেই প্রশ্নটি করা।

দুঃখজনকভাবে আমাদের ব্যক্তিজীবন থেকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা—সবখানেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার চেয়ে তাৎক্ষণিক ফল পাওয়ার প্রবণতা অনেক সময় বেশি দৃশ্যমান। আজ কীভাবে জনপ্রিয় হওয়া যাবে, আজ কীভাবে দ্রুত ফল দেখানো যাবে, আজ কীভাবে সমস্যা সাময়িকভাবে সামলানো যাবে—এসব প্রশ্নের ভিড়ে ‘পাঁচ বছর পর কী হবে’, ‘দশ বছর পর এর প্রভাব কী হবে’—এই প্রশ্নগুলো হারিয়ে যায়। কিন্তু সময়ের সবচেয়ে নির্মম বৈশিষ্ট্য হলো, সে অপেক্ষা করে না।

আজকের অব্যবস্থাপনা কালকের সংকট হয়ে ফিরে আসে। আজকের অবহেলা কালকের ব্যয় বাড়ায়। আজকের ভুল পরিকল্পনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর অতিরিক্ত বোঝা চাপায়। আবার আজকের একটি ভালো সিদ্ধান্তও বহু বছর পর তার সুফল দিতে পারে।

একটি গাছ লাগানোর পরদিন তার ছায়া পাওয়া যায় না। কিন্তু গাছ না লাগালে দশ বছর পরও ছায়া পাওয়া যাবে না। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার দর্শন আসলে অনেকটা এমনই। এখানেই আমাদের ব্যক্তিগত ও জাতীয় জীবনে একটি বড় পরিবর্তন প্রয়োজন—তাৎক্ষণিক ফলের মোহ থেকে দীর্ঘমেয়াদি ফলের চিন্তায় যাওয়া।

এর জন্য ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে কাগজের আনুষ্ঠানিকতা না বানিয়ে বাস্তব কর্মপরিকল্পনায় রূপ দিতে হবে। ব্যক্তির ক্ষেত্রে এর অর্থ হতে পারে—আয় অনুযায়ী সঞ্চয়, নিয়মিত শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, স্বাস্থ্য রক্ষা, সময়ের সুশৃঙ্খল ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনীয় ঋণ এড়িয়ে চলা। প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রয়োজন দক্ষ জনবল, প্রযুক্তি, গবেষণা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা। রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে প্রয়োজন স্থিতিশীল নীতি, মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষ প্রশাসন, জবাবদিহি, গবেষণা, কর্মসংস্থান এবং দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো পরিকল্পনা।

আরেকটি বিষয় অত্যন্ত জরুরি—পরিকল্পনার সঙ্গে মূল্যায়ন। আমরা পরিকল্পনা করি, কিন্তু পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হলো, কোথায় ব্যর্থতা, কোথায় অপচয়, কোথায় সংশোধন প্রয়োজন—তার নিয়মিত মূল্যায়ন সবসময় হয় না। ফলে একই ভুল আবার ফিরে আসে। অথচ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সবচেয়ে শক্তিশালী উপাদান হতে পারে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শেখা।

সঠিক পরিকল্পনা কখনো ভুলের সম্ভাবনা পুরোপুরি দূর করতে পারে না। কিন্তু ভুলকে পুনরাবৃত্তি হতে না দেওয়ার ব্যবস্থা তৈরি করতে পারে। এখানে প্রযুক্তি ও তথ্যের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যৎ অনুমান করতে হলে অতীত ও বর্তমানের তথ্য বিশ্লেষণ করতে হবে। জনসংখ্যা কোথায় বাড়ছে, কোন বয়সের মানুষের কী ধরনের দক্ষতা প্রয়োজন হবে, কোন অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কোথায় বেশি পড়বে, কোন খাতে বিনিয়োগ প্রয়োজন—এসব প্রশ্নের উত্তর আবেগ দিয়ে নয়, তথ্য দিয়ে খুঁজতে হবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা যত বেশি তথ্যনির্ভর হবে, সিদ্ধান্ত তত বেশি বাস্তবভিত্তিক হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। তবে পরিকল্পনা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়। একজন বাবা-মা যখন সন্তানের শিক্ষার জন্য আজ ত্যাগ করেন, একজন তরুণ যখন বিনোদনের কিছু সময় বাদ দিয়ে নতুন দক্ষতা অর্জন করেন, একজন উদ্যোক্তা যখন তাৎক্ষণিক লাভের বদলে প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় বিনিয়োগ করেন, একজন নাগরিক যখন নিজের সুবিধার বাইরে পরিবেশ ও সমাজের কথা ভাবেন—তখন প্রত্যেকেই ভবিষ্যৎ নির্মাণে অংশ নেন।

আমরা প্রায়ই বলি, ‘সময় চলে যাচ্ছে।’ কথাটি সত্য, কিন্তু অসম্পূর্ণ। সময় শুধু চলে যাচ্ছে না; সময় আমাদের সিদ্ধান্তগুলোকেও ইতিহাসে পরিণত করছে।

আজ যে কথাটি বললাম, কাল সেটি অতীত। আজ যে কাজটি করলাম, কাল সেটিই আমার কাজের ইতিহাস। আজ যে সন্তানকে সময় দিলাম না, একদিন তার বড় হয়ে ওঠার পর সেই অনুপস্থিতির মূল্য বুঝতে হতে পারে। আজ যে প্রতিষ্ঠানকে অবহেলা করলাম, কাল তার পতনের কারণ খুঁজতে হতে পারে। আজ যে নদী দখল করলাম, কাল বন্যার পানিতে তার মূল্য দিতে হতে পারে। আবার আজ যে বিদ্যালয়টি গড়ে তুললাম, যে গাছটি লাগালাম, যে গবেষণায় বিনিয়োগ করলাম, যে তরুণকে দক্ষ করে তুললাম—সেগুলোও একদিন আমাদের অতীতের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে উঠতে পারে।

তাই অতীত নিয়ে আক্ষেপ করার চেয়ে বর্তমানকে অর্থবহ করা অনেক বেশি জরুরি। অতীত আমাদের হাতে নেই। ভবিষ্যৎও পুরোপুরি আমাদের হাতে নেই। কিন্তু ভবিষ্যতের দিকে যাওয়ার পথটি যে বর্তমানের মধ্য দিয়ে তৈরি হয়, সেটুকু আমাদের হাতে আছে। এই সামান্য নিয়ন্ত্রণই আসলে মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।

জীবনকে তাই শুধু ‘কী হারিয়েছি’ দিয়ে বিচার না করে ‘এখন কী করতে পারি’ দিয়ে বিচার করা দরকার। রাষ্ট্রকেও শুধু ‘কী হয়নি’ তার হিসাব না করে ‘এখন কী করা প্রয়োজন’ সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে। কারণ আজকের দিনটি খুব দ্রুত চলে যাবে। সন্ধ্যা নামবে, রাত হবে, ক্যালেন্ডারের একটি পাতা উল্টে যাবে। আজকের বর্তমান তখন আর থাকবে না। থাকবে শুধু স্মৃতি, ফলাফল আর অভিজ্ঞতা—অর্থাৎ অতীত।

প্রশ্ন হলো, সেই অতীতটি আমরা কেমন রেখে যেতে চাই? আমরা চাইলে আজকের ব্যর্থতাকে আগামী দিনের শিক্ষায় পরিণত করতে পারি।
আজকের সংকটকে আগামী দিনের সংস্কারের সূচনা করতে পারি। আজকের সীমাবদ্ধতাকে আগামী দিনের সম্ভাবনার ভিত্তি বানাতে পারি। আবার অবহেলা করলে আজকের ছোট ভুলই কাল বড় সংকট হয়ে ফিরে আসতে পারে।

শেষ পর্যন্ত ভবিষ্যৎ কোনো রহস্যময় জায়গা নয়, যেখানে একদিন হঠাৎ আমরা পৌঁছে যাব। ভবিষ্যৎ আসলে আজকেরই দীর্ঘ ছায়া। আজকের সিদ্ধান্ত তার রেখা টেনে দেয়, আজকের অভ্যাস তার চরিত্র তৈরি করে, আজকের পরিকল্পনা তার পথ নির্ধারণ করে।

অতীতের দরজা বন্ধ—সেখানে ফিরে গিয়ে কিছু বদলানোর ক্ষমতা আমাদের নেই। কিন্তু ভবিষ্যতের দরজা এখনো খোলা। সেই দরজার চাবি অন্য কারও হাতে নয়; তা আমাদের আজকের সিদ্ধান্তে। তাই গতকালের ভুল নিয়ে অনন্তকাল বসে থাকার চেয়ে আজকের একটি সঠিক সিদ্ধান্ত অনেক বেশি মূল্যবান। কারণ আজই একদিন অতীত হবে। আর তখন আমাদের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হবে—আমরা আজকের দিনটিকে কীভাবে ব্যবহার করেছিলাম?

লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট। ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ।
drharun.press@gmail.com

Link copied!