Kaler Alo
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬
১৮ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী
কালের আলো

আদালত প্রতিবেদক,কালের আলো

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩, ২০২৬, ০৭:১৪ পিএম

বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, চালকের বিভাগীয় মামলা স্থগিত

আদালত প্রতিবেদক,কালের আলো

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩, ২০২৬, ০৭:১৪ পিএম

বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, চালকের বিভাগীয় মামলা স্থগিত

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক সোহেল রানার বিরুদ্ধে গাড়িচালককে মারধরের অভিযোগের ঘটনায় করা বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। ট্রাইব্যুনালের গাড়িচালক মো. আলী হোসেন বাচ্চুর করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) এ আদেশ দেন আদালত। বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

চালকের রিটে হাইকোর্টের আদেশ
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. বাকির হোসেন ও ব্যারিস্টার আবু সাদেক আব্দুল্লাহ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী।

আইনজীবী মো. বাকির হোসেন জানান, গত ২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক সোহেল রানা গাড়িচালক আলী হোসেন বাচ্চুর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেন। ওই মামলায় বিচারক নিজেই বাদী ও বিচারকের ভূমিকায় ছিলেন বলে অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে রিট করেন চালক। শুনানি শেষে আদালত বিভাগীয় মামলার কার্যক্রমের ওপর রুল জারি করে তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন।

খাসকামরায় মারধরের অভিযোগ চালকের
গাড়িচালক মো. আলী হোসেন বাচ্চু গণমাধ্যমে অভিযোগ করেন, গত ২৩ আগস্ট সকালে বিচারকের খাসকামরায় ডেকে নিয়ে তাঁকে মারধর করা হয়। তাঁর দাবি, গাড়ির লগবইয়ে সময় উল্লেখ করা নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বিচারক তাঁর চোখে ঘুষি এবং কানের ওপর থাপ্পড় মারেন।

পরে তিনি চিকিৎসা নেন এবং চোখে ব্যান্ডেজ করতে হয় বলেও জানান। তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা ইশতিয়াক হোসেন জনি। তাঁর দাবি, গাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বাচ্চুকে খাসকামরায় ডাকা হয়েছিল। একপর্যায়ে বিচারক তাঁকে ধমক দিয়ে বের করে দেন। তবে কোনো মারধরের ঘটনা ঘটেনি।

ঘটনা তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ
ঘটনাটি নজরে আসার পর গত ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট প্রশাসনকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। এ ঘটনায় ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলামকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর ২৪ সেপ্টেম্বর বিচারক সোহেল রানা গাড়িচালকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেন। ওই মামলার কার্যক্রম চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন আলী হোসেন বাচ্চু। শুনানি শেষে আদালত মামলাটির কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

Link copied!