ট্রেনে সিডিউল বিপর্যয়, যাত্রীদের ক্ষোভ

প্রকাশিতঃ 1:18 pm | August 18, 2018

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো:

ট্রেনে ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনেও দেখা দিয়েছে সিডিউল বিপর্যয়। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ঘরমুখো যাত্রীরা।

শুক্রবার শুরু হয়েছে রেলওয়ের ঈদ সার্ভিস। শনিবার ট্রেনে ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিন।

গত ৮ আগস্ট যারা ট্রেনের অগ্রিম টিকিট কেটেছেন তারা শুক্রবার চলে গেছেন। শনিবার যাচ্ছেন যারা গত ৯ আগস্ট দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট কেটেছিলেন। প্রথম দিনের মতো শনিবার দ্বিতীয় দিনেও সকাল থেকেই কমলাপুরে ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে।

শনিবার সারা দিনে কমলাপুর থেকে ৬৮টি ট্রেন ছেড়ে যাবে। তবে সকাল থেকেই বেশ কয়েকটি ট্রেন ছেড়ে গেছে দেরিতে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ। তাদের ওঠানামার সুবিধার্থেই ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব করছে কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনের শুরুতে আন্তঃনগর ট্রেন রাজশাহী অভিমুখী ধুমকেতু এক্সপ্রেস সকাল ৬টায় কমলাপুর ছাড়ার কথা থাকলেও সেটি ছেড়ে গেছে সকাল ৭টায়। খুলনা অভিমুখী সুন্দরবন এক্সপ্রেস সকাল ৬টা ২০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও ছেড়ে গেছে সকাল ৮টায়।

এছাড়া সকাল ৮টার ট্রেন দিনাজপুর চিলাহাটি অভিমুখী নীলসাগর এক্সপ্রেস ১০টা ১০ মিনিটেও ছেড়ে যেতে পারেনি। রংপুর এক্সপ্রেস সকাল ৯টায় স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও প্রায় ১০টার দিকে ছেড়ে গেছে। দিনের প্রথম ঈদ স্পেশাল ট্রেন লালমনি এক্সপ্রেস ৯টা ১৫ মিনিটে স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ছেড়ে যায় ১১টার দিকে।

বেসরকারি চাকরিজীবী সোহেল রানা বলেন, “আজকের টিকিটের জন্য ১১ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে টিকিট পেয়েছিলাম কিন্তু যাত্রার দিনেও মানুষের ভেড়াভেড়ির ভোগান্তি নিয়েই ট্রেনে ওঠে বসে আছি। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দুই ঘণ্টা পরও ট্রেনটি ছেড়ে যেতে পারেনি।”

ট্রেন বিলম্বে ছেড়ে যাওয়া বিষয়ে কমলাপুর স্টেশনের ম্যানেজার সীতাংশু চক্রবর্তী বলেন, ঈদে যাওয়া-আসা দুই সময়েই প্রতিটি স্টেশনে অতিরিক্ত যাত্রী ওঠানামা করে ফলে অতিরিক্ত সময়ের জন্য ট্রেন কিছুটা দেরিতে পৌঁছায়। আর যে ট্রেনগুলো বিলম্বে আসে সেই ট্রেনগুলো বিলম্বেই ছেড়ে যায়। তবে আমরা চেষ্টা করছি সব ট্রেনের সিডিউল ঠিক রাখতে।

তিনি আরও বলেন, “আজ তেজগাঁওয়ে একটি ট্রেনের ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় প্রায় ১ ঘণ্টা বন্ধ ছিল, যার প্রভাব অন্য ট্রেনগুলোর ওপর পড়েছে। ফলে বাকি ট্রেনগুলো কমলাপুর থেকে বিলম্বে ছেড়ে গেছে।”

কালের আলো/এমএ

Print Friendly, PDF & Email