‘এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য ক’রে যাব আমি’

প্রকাশিতঃ 10:29 am | March 23, 2023

শাহজাহান আলী :

‘হাতকে সোনা, হাতকে মোনা’– এই প্রবাদটির সঙ্গে ৩০ আগস্ট ২০২১ সালে আমার পরিচয়। ২০২১ সালের আগস্ট মাসের সেদিন ছিল শুক্রবার। প্রকল্প পরিদর্শনে সিরাজগঞ্জ গিয়েছিলাম। নির্ধারিত কর্মসূচি মোতাবেক সকাল ৯টার দিকে যমুনার পশ্চিম পাড় ঘেঁষে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন জায়গায় সমাপ্ত বা চলমান কাজ দেখছিলাম। দেখতে দেখতে নদীর পাড় বরাবর উত্তরের দিকে যাচ্ছিলাম। দুপুরে কোনও এক মসজিদে জুমার নামাজ শেষ করে কাজিপুর উপজেলায় পৌঁছাই। মাথায় সূর্য যখন একটু হেলে পড়েছিল তখন কাজিপুরের শেষ সীমানা বরাবর এসে পড়ি। সেখানে একটি ঘাট ছিল। ঘাটটির নাম খুতবান্দিঘাট। ঘাটের ওপরের দিকে মুদিখানার কয়েকটা দোকান ঘর ছিল। দোকান ঘরের সামনে চা খাওয়ার একটি বেঞ্চ ছিল। বসে পড়লাম চা খেতে। বেঞ্চে বসে থাকা ৭০-ঊর্ধ্ব বেলাল হোসেন নামে এই গ্রামের একজনের সঙ্গে পরিচয় হলো। গ্রামগঞ্জে আমরা অনেক সময় কয়েকজন লোক পেয়ে থাকি, যারা শিক্ষিত না হলেও অনেক তথ্য এবং অনেক বুদ্ধি রাখেন। বেলাল হোসেন তেমন একজন মানুষ। খুব হাসি-খুশি মানুষ হওয়ায় আমিও তার পরিবার, স্থানীয় লোকজন, রাজনীতিসহ এই এলাকায় বন্যার সার্বিক একটি চিত্র কথার সূত্র ধরে পাওয়ার চেষ্টা করলাম।

যমুনার পাড়ে তার ৭০ বছর পার হয়ে গেছে। যমুনার ভাঙাগড়া দেখতে দেখতে তার বড় হয়ে ওঠা। খুতবান্দিঘাটের ওপারে যমুনা নদীর মাঝে চর জাগতে জাগতে ৫-৬টি ইউনিয়ন জেগে উঠেছে তার চোখের সামনে।

এই ইউনিয়নগুলো সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। পাশ দিয়ে যমুনা বহমান, তবু এখানে সুপেয় পানির বড্ড অভাব বলে তিনি জানালেন। কারণ, পানিতে আয়রন। এখানকার মানুষদের টিউবওয়েলে আয়রনমুক্ত পানি পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। তার স্থানীয় প্রবাদটা আমার খুব ভালো লাগলো। ‘হাতকে সোনা, হাতকে মোনা’। পুরোপুরি বুঝিনি। তবে তিনি যা বোঝাতে চাইলেন কোন জায়গায় সুপেয় পানি পাওয়া যাবে তা অনুমেয় না। আয়রনমুক্ত পানি পেতে যমুনা পাড়ের মানুষদের এই কথাগুলো আমার কানে আজও প্রতিধ্বনি হচ্ছে।

২০২২ সালে ভয়াবহ বন্যায় সিলেট-সুনামগঞ্জে পানিবন্দি হয় এ এলাকার মানুষ। সুনামগঞ্জের সঙ্গে সারা দেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে দেখেছি। বিভাগীয় শহর থেকে সিলেটের তিনটি উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন এলাকার ভয়াবহতা কী, তা কল্পনাতীত। রাস্তাঘাট রেল যোগাযোগ লন্ডভন্ড হয়ে যায়। সিলেটের এই ভয়াবহ বন্যার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে আমরা মোটা দাগে কয়েকটি বিষয় সামনে নিয়ে এসেছি। সুরমা নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়া, শহর ও আশপাশের এলাকার বিভিন্ন জলাশয় ভরাট, দখল হওয়া, পানির স্বাভাবিক পথ রোধ করা এবং সিলেটের উজানে মেঘালয়ে মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টিপাত। সুরমা নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ার চিত্র আমরা এখন সবাই দেখছি।

গত ৩ মার্চ ২০২৩ তারিখ। সিলেটের জকিগঞ্জের অমলসিদে বোরাক নদী দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে দুটি নদী নাম ধারণ করেছে। একটি সুরমা। আরেকটি কুশিয়ারা। বোরাকের পানির কিঞ্চিৎ অংশ সুরমা দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রবাহ কমে যাওয়ায় ওপর থেকে প্রবাহিত পানির সঙ্গে বয়ে আসা পলি সুরমাকে ভরাট করে ফেলেছে।

সুরমা নদীতে পানি প্রবাহের সক্ষমতা কমে আসায় ওপর থেকে পানির ঢল বন্যা সৃষ্টি করে জকিগঞ্জ থেকে শুরু করে সিলেট ও সুনামগঞ্জকে ডুবিয়ে দিচ্ছে। আর শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ তলানিতে গিয়ে পৌঁছায়। কেউ যদি শুষ্ক মৌসুমে গুগল ম্যাপে স্যাটেলাইট মুডে জকিগঞ্জ দেখে, তাহলে দেখতে পাবে জকিগঞ্জের ওপরের অংশ ছোটখাটো একটা মরুভূমি। পানির অভাবে বোরো ধানের আবাদ নাই বললেই চলে। বিস্তৃত অংশ বিরান ভূমি। শীতকালীন সবজি চাষও এই জমিগুলোতে করা হয় না। অবশ্য বিকল্প সবজি বা ভিন্ন কোনও কিছু চাষাবাদ করা যায় কিনা কৃষি অধিদফতরকে দেখতে হবে। যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বারবার নির্দেশনা প্রদান করছেন এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি রাখা যাবে না। সেখানে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অনাবাদি রয়েছে দেখে আমার ব্যথায় রক্তক্ষরণ হয়েছিল।

১৯৬২ সালে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরার (ডিএনডি) মধ্যকার প্রায় ৫৮.২২ বর্গকিলোমিটার জলাভূমিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা সৃষ্টির মাধ্যমে ইরিগেশনের জন্য যে বাঁধ সৃষ্টি করা হয়েছিল সেই জায়গায় গড়ে উঠলো অপরিকল্পিত জনবসতি। অপরিকল্পিত কলকারখানা ও আবাসিক এলাকা এখানের ছোট ছোট খালকে ভরাট করে দেয়। সিদ্ধিরগঞ্জে এক আদমজীতে ৬৫০০০ শ্রমিকের বসবাস। এর বাইরে রয়েছে আরও হাজার খানেক ছোট-বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান। ১৯৮৮ সালে ভয়াবহ বন্যায় বাংলাদেশের বেশিরভাগ অংশ ডুবে গেলেও এই বাঁধ এলাকায় কোনও বন্যা হয়নি। এতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এই এলাকার মানুষের বসবাস ও শিল্প কারখানা গড়ে ওঠে।

এই এলাকায় মানুষের বসবাস ও শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠায় কোনও ব্যবস্থাপনা ছিল না। সুয়ারেজের লাইন, কারখানার আবর্জনা, অবৈধ খাল ভরাট আর যত্রতত্র মানুষের ময়লা-আবর্জনা, পানি নিষ্কাশনের সব পথ রুদ্ধ করে দেয়।

গত কয় বছর আমরা দেখেছি ভারী বৃষ্টিপাতে ডিএনডি প্রকল্পের এলাকাসমূহে প্লাবিত হয়। ভয়াবহ এই চিত্র আমরা অবলোকন করেছি। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে রক্ষা পেতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ‘ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) এলাকায় নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। উচ্চ আশা নিয়ে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। নারায়ণগঞ্জ শহরকে হাতিরঝিলের মতো দৃষ্টিনন্দন করা হবে। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে বাস্তবতার কথা চিন্তা করে এই কাজটি বাস্তবায়নের জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষে বাপাউবো এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ডিএনডি প্রকল্পটি প্রায় সমাপ্তির পর্যায়ে। এই পথ পরিক্রমায় যে অভিজ্ঞতা তার রঙ অনেক বৈচিত্র্যপূর্ণ। খালগুলো উচ্ছেদে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে শুরু হয়েছিল মহাকর্মযজ্ঞ।

খাল উদ্ধারে প্রতি ক্ষণে ক্ষণে বাধা। সবচেয়ে লক্ষণীয় হলো, এই খালগুলো ভরাট করে গড়ে উঠেছে স্কুল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এখনও এই প্রতিষ্ঠানগুলো পরিপূর্ণ অপসারণ করা হয়নি। হয়তো হবে। আমি আশাবাদী। নারায়ণগঞ্জে ডেমরার এই অংশে গত দুই-এক বছরে বৃষ্টির পানিতে তেমন একটা জলাবদ্ধতা আমরা দেখিনি। এখানে দুটি পাম্প স্টেশনের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এতে যে স্থায়ী পরিত্রাণ পাওয়া যাবে তা আশা করা যাচ্ছে না। কেননা, মানুষের আবর্জনা ময়লা আবার খালগুলোকে ভরাট করে দিচ্ছে। ময়লা-আবর্জনা ব্যবস্থাপনা, পানি নিষ্কাশনের জন্য বাকি খালগুলো উদ্ধার এবং আমাদের অভ্যাসের পরিবর্তন না করতে পারলে আবার সেই জায়গায় আসতে হয়তো বেশি সময় লাগবে না। ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, ব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্ব নেওয়া নিয়ে রয়েছে কঠিন একটি চ্যালেঞ্জ। সেনাবাহিনী কর্তৃক উদ্ধারকৃত খালগুলো পরিষ্কার করা হয়েছে। এরপর দেখা-শোনার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতা প্রয়োজন।

একই চিত্র বিরাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে। হঠাৎ ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম শহর ডুবে যায়। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে গঠিত কমিটির চিহ্নিত সমস্যাগুলো আমরা কমবেশি জানি। এরমধ্যে রয়েছে খাল সংকোচন, নগরের খাল ও নালা-নর্দমা বেদখল, নাগরিকদের অসচেতনতা, খাল-নালায় বর্জ্য ফেলা এবং নিয়মিত খাল-নালা থেকে মাটি উত্তোলন না করা (০৮ জুলাই, ২০২২, প্রথম আলো)।

এসব সমস্যা সমাধানে সহজে অনুমেয় মোটাদাগে সমাধান হলো নিয়মিত খাল-নালার বর্জ্য অপসারণ, পানি চলাচলে বাধা হয়ে দাঁড়ানো বিভিন্ন সেবা সংস্থার পাইপ অপসারণ, খাল-নালায় বর্জ্য না ফেলার জন্য সচেতনতা বাড়ানো, খাল-নালা দখলকারীদের উচ্ছেদ এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।

ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতাকে আমি এড়িয়ে যাবো না। এটা ঠিক, গত দুই বছর ঢাকা শহরে চট্টগ্রামের মতো তেমন জলাবদ্ধতা দেখা যায়নি। এটাও ঠিক যে ঢাকা শহরে গত বছর বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল কম। সামনের দিনগুলোতে আমাদের জন্য কি অপেক্ষা করছে জানি না। মোটা দাগে নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের মতো ঢাকা শহরের সমস্যাগুলো প্রায় একই। তেমনি সুপারিশও একই। ড্রেনের পানি নিষ্কাশন বাধাপ্রাপ্ত হওয়া, খালগুলো অবৈধ দখল, অপরিকল্পিত ও অনিয়ন্ত্রিত সংস্থান, পানির আধার কমে যাওয়া, জলাশয় ও নিচু ভূমি ভরাট, আমাদের সচেতনতা, দায়িত্ববোধ ও নীতি-নৈতিকতা ইত্যাদি।

বিশ্ব পানি দিবসের প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপরের প্রসঙ্গগুলো আলোকপাত করলাম। ২০৩০ সালের মধ্যে পানি ও স্যানিটেশন বিষয়ে এসডিজি-৬ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকে তরান্বিত করতে জাতিসংঘ এই প্রতিপাদ্যকে গুরুত্বারোপ করেছে। “Be the Change” এ প্রতিপাদ্যের মূল বিষয়বস্তু। যে পদ্ধতিতে মানুষ তার প্রাত্যহিক জীবনে পানি ব্যবহার করছে তাতে পরিবর্তন আনতে উৎসাহিত করা। মানুষকে উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছে পানি ও স্যানিটেশন বিষয়ক আমরা যে সমস্যার সম্মুখীন, তাতে আমাদের মাঝে পরিবর্তন আনা। আমার আলোকপাতকৃত প্রসঙ্গে দুটি দিককে তুলে এনেছি। একটি হলো আমাদের প্রাকৃতিক, অন্যটি হলো মানুষ্য সৃষ্টি। প্রাকৃতিক হলো আমাদের বাস্তবতা। মনুষ্য সৃষ্টি হলো আমাদের নিষ্ঠুরতা।

সিরাজগঞ্জ ও জকিগঞ্জ শুধু উদাহরণ। খরাপ্রবণ অঞ্চলে পানির ভূগর্ভস্থ স্তর দিন দিন তলিয়ে যাচ্ছে। এতে সেচের জন্য পানির স্বল্পতা মরুকরণ এবং পানিতে আর্সেনিকের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার বৃষ্টিপাতের কারণে বর্ষা মৌসুমে অঞ্চল ভেদে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এই বাস্তবতা হতে রক্ষা পেতে কি পরিবর্তন আমরা আনবো তাতে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন। কেননা, ভারতের সঙ্গে ৫৪টি আন্তসীমান্ত নদীর জল প্রবাহের সঙ্গে রয়েছে বহুবিধ আনুষ্ঠানিকতা যা আজকের বাস্তবতা। তবে সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম কিংবা ঢাকা শহরের মতো এলাকায় জলাবদ্ধতা, পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে আমাদের চিন্তার পরিবর্তন আনার সুযোগ রয়েছে।

এসব ক্ষেত্রে যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করছে তাদের ব্যবস্থাপনায় দরকার আন্তরিকতা, খাল-নালা দখল হতে দূরে থাকা, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলা, জনসচেতনতা আর সুশাসন।

বিশ্ব পানি দিবসের প্রতিপাদ্যের স্লোগানটি আমার পছন্দ হয়েছে। পরিবর্তন শব্দটি আমরা প্রতিনিয়ত প্রতিক্ষণে ব্যবহার করছি। পরিবর্তন আমার মাঝে। সকালে ব্রাশ করার সময় অযথা ট্যাপের পানি ছেড়ে রাখা, প্রভাবশালী হয়ে অবৈধভাবে খাল-নালা দখল বা পানি প্রবাহের পথ রুদ্ধ করা, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে নালা-খাল দখল হতে বিরত থাকা ইত্যাদি। পরিবর্তন একটি ছোট শব্দ। কিন্তু এর ব্যাপকতা, চাহিদা ও বিশালতা প্রজন্ম হতে প্রজন্মের কাছে ঋণ রয়ে গেছে। হয়তো পরের প্রজন্মের কাছে এই ঋণের বোঝা আরও স্ফীত হবে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস হয়তো নৈতিকতার জায়গা হতে এই ঋণ লাঘবের পরিত্রাণ খুঁজতে চেষ্টা করেছেন। যেমন কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ‘এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে’ যাওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছিলেন।

লেখক: উপ-সচিব, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়

Print Friendly, PDF & Email