‘জনপ্রিয়’ এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, স্বীকৃতি ওবায়দুল কাদেরের

প্রকাশিতঃ 8:31 pm | August 23, 2022

পলিটিক্যাল এডিটর, কালের আলো:

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ওবায়দুল কাদের। দলের সাধারণ সম্পাদকের পাশাপাশি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। আওয়ামী লীগের শক্তিশালী, গতিশীল, কর্মীবান্ধব ও কর্মঠ সাধারণ সম্পাদক সব সময়ই কথা বলেন শিল্প সুন্দর ভাষায়। সরকার ও দলের সবদিকেই তার সমান নজর।

অতিকথনে গা না ভাসানো দায়িত্বশীল এই রাজনীতিক নিজের সহকর্মীদেরও বিশেষভাবে মূল্যায়ন করেন। ভালো কাজে উৎসাহিত করেন। ভুলেন না প্রশংসা করতেও। রাজনীতিতে তার এই বিরল গুণের আরও একবার দেখা মিলেছে সংসদের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে।

এদিন বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের ঠিক আগে বাংলাদেশের সেকাল-একাল, ধন্য সেই পুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লড়াকু নেতৃত্বে বাঙালির ২৪ বছরের শোষণ-বঞ্চনার অবসানের সারি সারি চিত্রপট থেকে শুরু করে যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো আর শূন্য ভাণ্ডার নিয়ে যাত্রা শুরু করা বাংলাদেশ এখন বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের রোল মডেল, বিশ্বের বিস্ময়-সবকিছুই নিজের জবানীতে তুলে আনেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো.তাজুল ইসলাম এমপি।

মন্ত্রী নিজের প্রাণবন্ত ও যুক্তিনির্ভর আলোচনার পর মঞ্চে নিজের আসনে গিয়ে বসতেই হাসিমুখে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর হাত ধরেও নিজের প্রগাঢ় স্নেহের বহি:প্রকাশ ঘটান। এ সময় দু’মন্ত্রীর সঙ্গে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও সাবেক তুখোর ছাত্রনেতা এনামুল হক শামীমকেও আলাপচারিতায় মেতে উঠতে দেখা যায়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নিজের বক্তব্যের সূচনালগ্নেই স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলামকে একজন ‘জনপ্রিয় মন্ত্রী’, ‘কুমিল্লার শান্তির দূত’ ও ‘প্রিয় সহকর্মী’ উপমায় ভূষিত করেন। এরপর শোকাবহ ১৫ আগস্টের শোক থেকে শক্তি ও জাগরণের আলোকময় বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি শুধু একটা কথাই বলবো। সবাই একটু বাস্তববাদী হোন। কৃচ্ছ্র সাধন করুন। অতিরিক্ত গাড়ি, অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যবহার করা ঠিক নয়। যারা অতিরিক্ত গাড়ি ব্যবহার করছেন, ফিরিয়ে দেন। অতিরিক্ত তেল যারা ব্যবহার করছেন আর করবেন না। কৃচ্ছ্রসাধন করুন।’

সরকারের শীর্ষ নীতি নির্ধারক ওবায়দুল কাদের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপিকে ‘জনপ্রিয়’ বলে স্বীকৃতি দেওয়ার মধ্যে দিয়ে দেশের অন্যতম বৃহৎ মন্ত্রণালয়টির ইতিবাচক ভাবমূর্তি পুনরুজ্জীবিত হওয়ার বার্তাই যেন দিয়েছেন, এমনটিই মনে করছেন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে মাস কয়েক আগে বঙ্গবন্ধুকন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে মন্ত্রী তাজুল ইসলামের অনবদ্য নেতৃত্বের নানা দিক উপস্থাপন করেছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো.আতিকুল ইসলাম। সেদিন একজন কর্মতৎপর ব্যক্তিকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর গুরুদায়িত্ব দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকেও ধন্যবাদ জানান উত্তরের এই নগর পিতা। ওইদিন প্রধানমন্ত্রীও মাথা নেড়ে যেন তার বক্তব্যকে সমর্থন দিয়েছিলেন।

কালের আলো/ডিএম/এএ

Print Friendly, PDF & Email