পয়োবর্জ্যের সংযোগ ড্রেনে পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা : মেয়র আতিক

প্রকাশিতঃ 9:28 pm | July 06, 2022

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো:

আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পয়োবর্জ্য সরাসরি সংযোগ ড্রেনে পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অভিজাত এলাকা গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতনের পয়োবর্জ্য সরাসরি লাইনে ফেলা যাবে না। এসব অভিজাত এলাকায় প্রতিটি ভবনেই কার্যকর সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল স্থাপন করতে হবে।

বুধবার (০৬ জুলাই) দুপুরে ৩৯ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত নুরের চালায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নবগঠিত ১৮টি ওয়ার্ডের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে মেয়র আতিক এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পয়োবর্জ্যের সংযোগ স্টর্ম সুয়ারেজে দেয়া যাবে না। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পয়োবর্জ্যের সংযোগ ড্রেনে পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মেয়র বলেন, ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক ছাড়া শুধু রাস্তা করলে হবে না। স্থায়ী সমাধানের জন্য রাস্তা নির্মাণের পূর্বে ড্রেন নির্মাণ করতে হবে। নূরেরচালার সুতিভোলা খালের পাড় থেকে নূরেরচালা বাজার মসজিদ পর্যন্ত ১ হাজার ৪২২ মিটার ড্রেনেজের কাজ প্রায় ৮০ ভাগ শেষ হয়েছে। ড্রেনের কাজ শেষ হলেই রাস্তার কাজ করা হবে।

সাংবাদিকের এক প্রশ্নে আতিকুল বলেন, ‘এই শহর শুধু মেয়রের নয়, এ শহর শুধু কাউন্সিলরের নয়, এই শহর সবার শহর। সিএস পর্চা অনুযায়ী খালের সীমানা নির্ধারণ করে আমরা খালগুলোকে উদ্ধার করব।

‘মহানগর জরিপ অনুযায়ী খাল উদ্ধার করলে ঢাকাকে বাঁচানো যাবে না, জলাবদ্ধতায় এই ঢাকা ডুবে যাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর খালের সীমানা নির্ধারণের কাজ এগিয়ে চলেছে। খালগুলো উদ্ধারের পর পানি প্রবাহ নিশ্চিত করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য শহর গড়ে তুলব।’

সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা জলাবদ্ধতা এবং যানজটের সমস্যার সমাধানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই রাস্তার কার্যক্রম করছি। শহরের রাস্তাগুলো ২০ ফিট প্রশস্ততার কম হলে সেখানে সিটি করপোরেশন কোনো ধরনের অর্থায়ন করবে না, কোনো ধরনের রাস্তা নির্মাণ করবে না।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে নবগঠিত ১৮টি ওয়ার্ডের রাস্তা, পানি নিষ্কাশন ও খাল খননের জন্য সরকার ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে।

এ প্রকল্পের আওতায় নূরেরচালা মসজিদ থেকে সুতিভোলা খাল পর্যন্ত ১ হাজার ৪২২ মিটার পানি নিষ্কাশন নালা নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সেনাবাহিনীর ২৪ কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড।

কালের আলো/এসবি/এমএম

Print Friendly, PDF & Email