অভিনেতা ড. ইনামুল হক আর নেই

প্রকাশিতঃ 5:14 pm | October 11, 2021

শোবিজ ডেস্ক, কালের আলোঃ

একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা, নাট্যকার, নির্দেশক ইনামুল হক আর নেই।

সোমবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।

ইনামুল হকের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা শহীদ আলমগীর। বলেন, ‘তিনি সুস্থই ছিলেন। দুপুরের খাবার শেষে হেলান দিয়ে বসেন। ওই অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষনিক কাকরাইলের ইসলামী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে মৃত্যুর বিশেষ কোনও কারণ জানা যায়নি।

তিনি আরও জানান, তিনি বর্তমানে মরদেহের সঙ্গেই আছেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কোয়ান্টাম সেন্টারে তার শেষ গোসল করানো হচ্ছে। এরপর মরদেহ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে। তবে কোথায় দাফন হবে, কখন জানাজা হবে, এসব এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।

বরেণ্য নাট্যজন লাকী ইনামের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন ড. ইনামুল হক। এ সংসারে হৃদি হক ও প্রৈতি হক নামে দুই কন্যা সন্তান রয়েছে।

নাট্যকার হিসেবে ড. ইনামুল হক’র পথচলা শুরু হয়েছিল ১৯৬৮ সালে। তার প্রথম লেখা নাটকের নাম ‘অনেকদিনের একদিন’। আবদুল্লাহ আল মামুন নাটকটি প্রযোজনা করেছিলেন টেলিভিশনের জন্য। টেলিভিশনের জন্য ৬০টি নাটক লিখেছিলেন তিনি।

তার লেখা আলোচিত টিভি নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘সেইসব দিনগুলি’ (মুক্তিযুদ্ধের নাটক), ‘নির্জন সৈকতে’ ও ‘কে বা আপন কে বা পর’।

মঞ্চের জন্য তার লেখা প্রথম নাটকের নাম ‘বিবাহ উৎসব’। এটি লিখেছিলেন উদীচীর জন্যে। তার নিজ দল নাগরিক নাট্যাঙ্গনের জন্য প্রথম লেখা নাটকের নাম ‘গৃহবাসী’। ১৯৮৩ সালে লেখা হয় নাটকটি। ঢাকার মঞ্চে বেশ আলোচিত নাটক এটি।

ড. ইনামুল হক অভিনয় জীবন শুরু করেন ১৯৬৮ সালে। তার প্রথম অভিনীত টেলিভিশন নাটক ছিল ‘মুখরা রমণী বশীকরণ’। এটি প্রযোজনা করেছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার।

কালের আলো/টিআরকে/এসআইএল

Print Friendly, PDF & Email