সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে উদ্যোগ নিচ্ছে ইসি

প্রকাশিতঃ 1:04 am | November 21, 2018

কালের আলো ডেস্ক:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে উদ্যোগ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুজব, অপপ্রচার ও ধর্মীয় উন্মাদনা ছড়ানো বন্ধ এবং নির্বাচনের সময়ে নিরবিচ্ছিন্ন মোবাইল সেবা নিশ্চিত করতে চায় নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থাটি।

নির্বাচনকালীন সময়ে নিরবিচ্ছিন্ন মোবাইল সেবা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে একটি বৈঠক আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। আগামী ২৬ নভেম্বর দুপুর সাড়ে তিনটায় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, ইতোপূর্বে নির্বাচনের সময় গুজবভিত্তিক অপপ্রচারের কারণে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তাই ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার বন্ধে আগে থেকেই উদ্যোগ নেয়ার পরিকল্পনা ছিল কমিশনের। তবে তা কতটুকু বাস্তবায়ন করা যায়, সেটি নিয়ে দীর্ঘ সময় বিশ্লেষণ করেছে সংস্থাটি। এরই ধারাবাহিকতায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত আসতে চায় কমিশন। পাশাপাশি নির্বাচনের সময় নির্বিঘ্নে মোবাইল সেবা প্রাপ্তির বিষয়টিও নিশ্চিত করতে চায় সংস্থাটি। তাই আগামি ২৬ নভেম্বরের সভায় সকল মোবাইল অপারেটরকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

কমিশনের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন ভবনসহ দেশব্যাপী সকল মোবাইল অপারেটরের নিরবিচ্ছিন্ন সেবা প্রয়োজন হবে।

এছাড়া ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা আবশ্যক। মোবাইল অপারেটরের নিরবিচ্ছিন্ন সেবার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল মোবাইল অপারেটর এবং বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) ও ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) এর উপযুক্ত প্রতিনিধিগণ (যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার নিচে নয়)-এর সাথে ইসি সচিবের সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে আগামী ২৬ নভেম্বর দুপুর সাড়ে তিনটায় একটি সভা আহ্বান করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের এপ্রিলে জাতীয় নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও মূল্যবোধ পরিপন্থি কনটেন্ট বন্ধ করতে প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। অপপ্রচার বন্ধে জাতীয় নির্বাচনের আগে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কনটেন্ট ফিল্টারিংয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়। এ লক্ষ্যে এ বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ শুরু করে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর।

কালের আলো/ওএইচ

Print Friendly, PDF & Email