নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: অক্টোবর ৩০, ২০২৬, ১১:২৭ পিএম

আন্তর্জাতিক মানের নাবিক তৈরিতে আপসহীন সচিব, প্রশিক্ষণের মান নিয়ে কঠোর নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: অক্টোবর ৩০, ২০২৬, ১১:২৭ পিএম

আন্তর্জাতিক মানের নাবিক তৈরিতে আপসহীন সচিব, প্রশিক্ষণের মান নিয়ে কঠোর নির্দেশনা

ছবি:সংগৃহীত

সমুদ্রের বুকে একটি ভুলের মূল্য অনেক বড়। সেখানে পেশাগত দক্ষতা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা, শৃঙ্খলা ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাবিধি সম্পর্কে জ্ঞান—সবকিছুরই পরীক্ষা হয় বাস্তব পরিস্থিতিতে। তাই মেরিন একাডেমিতে ভর্তি হওয়া মানেই শুধু একটি পেশায় প্রবেশ নয়; বরং আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ নাবিক হয়ে ওঠার কঠিন প্রস্তুতি। আর সেই প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি কিংবা মানের সঙ্গে আপসের সুযোগ নেই—এমন বার্তাই দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান এনডিসি।

  • বিশ্ব শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে দক্ষতা ও যোগ্যতায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব
  • আইএমওর বিধিবিধান অনুসরণে ক্যাডেট ও ক্রু তৈরির তাগিদ
  • ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে আবেদন ও প্রক্রিয়াকরণসহ মোট চার্জ ১,৩০০ টাকা

২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেরিন একাডেমিগুলোতে নাবিক ভর্তির প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি প্রশিক্ষণের গুণগত মানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মেরিন একাডেমির প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

ভর্তি দিয়ে শুরু, দক্ষতার প্রমাণ প্রশিক্ষণ শেষে
মেরিন শিক্ষার সাফল্য শুধু ভর্তি কার্যক্রম কিংবা প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। একজন প্রশিক্ষণার্থী আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে কতটা প্রস্তুত, তাঁর কারিগরি দক্ষতা কেমন এবং পেশাগত যোগ্যতা কতটা কার্যকর—এসব বিষয়ই শেষ পর্যন্ত তাঁর কর্মজীবনের সক্ষমতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে একাডেমি প্রধানদের কঠোর প্রশিক্ষণের নির্দেশনা দেন সচিব। তিনি বলেন, ‘আপনারা যাদেরকে ভর্তি করবেন, তাদেরকে অত্যন্ত কঠিন ও কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। প্রশিক্ষণের মান ও যোগ্যতার ব্যাপারে কোনো ধরনের কম্প্রোমাইজ করা যাবে না।’

তাঁর এই বক্তব্যটি মেরিন প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে একটি স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরে। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কাজের সুযোগ কাজে লাগাতে হলে প্রশিক্ষণার্থীদের কেবল পাঠ্যক্রম শেষ করলেই চলবে না; তাঁদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। এ জন্য প্রশিক্ষণের প্রতিটি ধাপে গুণগত মান বজায় রাখা এবং যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন জরুরি।

 ছবি>সংগৃহীত: বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মেরিন একাডেমির প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন

আন্তর্জাতিক সমুদ্রে পরিচয় হবে কাজের মানে
বাংলাদেশি নাবিকদের আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) বিধিবিধান অনুসরণের সক্ষমতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সচিব। তিনি বলেছেন, ‘ক্যাডেট ও ক্রুদের কোয়ালিটি বা মান এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে তারা আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) সকল নিয়মকানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করে বিশ্ব দরবারে সাড়া ফেলতে পারে।’

তাঁর এই নির্দেশনার গুরুত্ব শুধু প্রশিক্ষণকক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আন্তর্জাতিক জাহাজে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা, নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা এবং প্রযোজ্য বিধিবিধান মেনে চলার সক্ষমতা অপরিহার্য। তাই মেরিন একাডেমিগুলোর প্রশিক্ষণব্যবস্থায় তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক প্রস্তুতি ও পেশাগত শৃঙ্খলাকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশের নাবিকদের দক্ষতা ও যোগ্যতা আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে তুলে ধরার সুযোগ আরও বিস্তৃত হতে পারে।

তরুণদের জন্য বড় সম্ভাবনা
দেশের তরুণদের জন্য আরও বেশি কারিগরিভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়টিও সভায় গুরুত্ব পায়। সচিব বলেন, ‘আমাদের সন্তানদের জন্য টেকনিক্যাল কাজের আরও বেশি সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। আর এর মূল চাবিকাঠি হলো আন্তর্জাতিক মানের কারিগরি শিক্ষা।’ এই বক্তব্যে মেরিন শিক্ষার অর্থনৈতিক তাৎপর্য উঠে এসেছে। দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা তরুণদের এমন পেশার জন্য প্রস্তুত করতে পারে, যেখানে নির্দিষ্ট কারিগরি জ্ঞান, প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের সক্ষমতা প্রয়োজন। সে ক্ষেত্রে মেরিন একাডেমিগুলো শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রের উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবেও ভূমিকা রাখতে পারে।

সমুদ্রের বুকে একটি ভুলের মূল্য অনেক বড়। সেখানে পেশাগত দক্ষতা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা, শৃঙ্খলা ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাবিধি সম্পর্কে জ্ঞান—সবকিছুরই পরীক্ষা হয় বাস্তব পরিস্থিতিতে। তাই মেরিন একাডেমিতে ভর্তি হওয়া মানেই শুধু একটি পেশায় প্রবেশ নয়; বরং আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ নাবিক হয়ে ওঠার কঠিন প্রস্তুতি। আর সেই প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি কিংবা মানের সঙ্গে আপসের সুযোগ নেই—এমন বার্তাই দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান এনডিসি।

  • বিশ্ব শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে দক্ষতা ও যোগ্যতায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব
  • আইএমওর বিধিবিধান অনুসরণে ক্যাডেট ও ক্রু তৈরির তাগিদ
  • ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে আবেদন ও প্রক্রিয়াকরণসহ মোট চার্জ ১,৩০০ টাকা

২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেরিন একাডেমিগুলোতে নাবিক ভর্তির প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি প্রশিক্ষণের গুণগত মানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মেরিন একাডেমির প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

ভর্তি দিয়ে শুরু, দক্ষতার প্রমাণ প্রশিক্ষণ শেষে
মেরিন শিক্ষার সাফল্য শুধু ভর্তি কার্যক্রম কিংবা প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। একজন প্রশিক্ষণার্থী আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে কতটা প্রস্তুত, তাঁর কারিগরি দক্ষতা কেমন এবং পেশাগত যোগ্যতা কতটা কার্যকর—এসব বিষয়ই শেষ পর্যন্ত তাঁর কর্মজীবনের সক্ষমতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে একাডেমি প্রধানদের কঠোর প্রশিক্ষণের নির্দেশনা দেন সচিব। তিনি বলেন, ‘আপনারা যাদেরকে ভর্তি করবেন, তাদেরকে অত্যন্ত কঠিন ও কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। প্রশিক্ষণের মান ও যোগ্যতার ব্যাপারে কোনো ধরনের কম্প্রোমাইজ করা যাবে না।’

 ছবি>সংগৃহীত

তাঁর এই বক্তব্যটি মেরিন প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে একটি স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরে। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কাজের সুযোগ কাজে লাগাতে হলে প্রশিক্ষণার্থীদের কেবল পাঠ্যক্রম শেষ করলেই চলবে না; তাঁদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। এ জন্য প্রশিক্ষণের প্রতিটি ধাপে গুণগত মান বজায় রাখা এবং যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন জরুরি।

আন্তর্জাতিক সমুদ্রে পরিচয় হবে কাজের মানে
বাংলাদেশি নাবিকদের আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) বিধিবিধান অনুসরণের সক্ষমতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সচিব। তিনি বলেছেন, ‘ক্যাডেট ও ক্রুদের কোয়ালিটি বা মান এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে তারা আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) সকল নিয়মকানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করে বিশ্ব দরবারে সাড়া ফেলতে পারে।’

তাঁর এই নির্দেশনার গুরুত্ব শুধু প্রশিক্ষণকক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আন্তর্জাতিক জাহাজে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা, নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা এবং প্রযোজ্য বিধিবিধান মেনে চলার সক্ষমতা অপরিহার্য। তাই মেরিন একাডেমিগুলোর প্রশিক্ষণব্যবস্থায় তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক প্রস্তুতি ও পেশাগত শৃঙ্খলাকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশের নাবিকদের দক্ষতা ও যোগ্যতা আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে তুলে ধরার সুযোগ আরও বিস্তৃত হতে পারে।

তরুণদের জন্য বড় সম্ভাবনা
দেশের তরুণদের জন্য আরও বেশি কারিগরিভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়টিও সভায় গুরুত্ব পায়। সচিব বলেন, ‘আমাদের সন্তানদের জন্য টেকনিক্যাল কাজের আরও বেশি সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। আর এর মূল চাবিকাঠি হলো আন্তর্জাতিক মানের কারিগরি শিক্ষা।’ এই বক্তব্যে মেরিন শিক্ষার অর্থনৈতিক তাৎপর্য উঠে এসেছে। দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা তরুণদের এমন পেশার জন্য প্রস্তুত করতে পারে, যেখানে নির্দিষ্ট কারিগরি জ্ঞান, প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের সক্ষমতা প্রয়োজন। সে ক্ষেত্রে মেরিন একাডেমিগুলো শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রের উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবেও ভূমিকা রাখতে পারে।

 ছবি>সংগৃহীত

দক্ষ নাবিকের হাত ধরে অর্থনীতিতে অবদান
আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ নাবিকদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স প্রবাহে অবদান রাখার সম্ভাবনা তৈরি করে। এ কারণে মেরিন খাতের উন্নয়নকে দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সঙ্গেও যুক্ত করে দেখছেন নৌপরিবহন সচিব। তিনি বলেন, ‘এই সেক্টরকে আরও বেশি উন্নত করতে হবে। আমাদের প্রধান দায়িত্বই হলো দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের নাবিক তৈরি করা, যারা ভবিষ্যতে রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে আমাদের দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক ও বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখবে।’ সচিবের বক্তব্যের মূল সুর হলো, দক্ষ নাবিক তৈরি করা শুধু একটি প্রশিক্ষণগত দায়িত্ব নয়; এটি তরুণদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করা এবং দেশের অর্থনীতিতে তাঁদের সম্ভাব্য অবদান বাড়ানোর সঙ্গেও সম্পর্কিত।

ভর্তি ফি নির্ধারণ, মান নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ
সভায় জানানো হয়, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে মেরিন একাডেমিগুলোতে ভর্তির আবেদন ও প্রক্রিয়াকরণসহ সর্বমোট চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩০০ টাকা। ভর্তি কার্যক্রমের এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত করার বিষয়টিও সভার অন্যতম প্রধান আলোচ্য ছিল। কারণ ভর্তি প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার পর প্রশিক্ষণার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলাই একাডেমিগুলোর মূল দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের মানদণ্ড বজায় রাখা, ব্যবহারিক শিক্ষার কার্যকারিতা বাড়ানো এবং পেশাগত যোগ্যতা মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সচিবের নির্দেশনাকে স্বাগত
সভায় উপস্থিত সরকারি ও বেসরকারি মেরিন একাডেমির প্রধানরা সচিবের নির্দেশনাকে স্বাগত জানান। বাংলাদেশের মেরিন খাতকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তাঁরা। এখন মূল চ্যালেঞ্জ হবে নির্দেশনাগুলোকে প্রশিক্ষণের বাস্তব ব্যবস্থাপনায় কার্যকরভাবে প্রতিফলিত করা। ভর্তি থেকে শুরু করে প্রশিক্ষণ সমাপ্তি পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে গুণগত মান নিশ্চিত করা গেলে আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রের উপযোগী নাবিক তৈরির লক্ষ্য আরও সুসংহত হতে পারে। সনদ একজন প্রশিক্ষণার্থীর শিক্ষা সমাপ্তির পরিচয় দিতে পারে, কিন্তু আন্তর্জাতিক সমুদ্রে তাঁর সক্ষমতার পরিচয় দেবে অর্জিত দক্ষতা। সচিবের নির্দেশনার মূল তাৎপর্যও এখানেই—বাংলাদেশের মেরিন একাডেমিগুলোকে এমন নাবিক তৈরি করতে হবে, যাঁদের যোগ্যতা ও কাজের মান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সক্ষমতাকে তুলে ধরবে।

 কালের আলো/আরআই/এমকে

Link copied!