পটুয়াখালী সংবাদদাতা

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৭, ২০২৬, ০৯:৪৫ এএম

ভোরে শীতের ছোঁয়া, দুপুরে গরম দুমকিতে

পটুয়াখালী সংবাদদাতা

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৭, ২০২৬, ০৯:৪৫ এএম

ভোরে শীতের ছোঁয়া, দুপুরে গরম দুমকিতে

এলাকায় ভোরের কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় শীতের আগমনী বার্তা অনুভূত হচ্ছে। দিনের বেলায় রোদের তাপে গরমের অনুভূতি থাকলেও শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত আবহাওয়ায় মিলছে হালকা শীতের ছোঁয়া।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোরে দুমকি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হালকা কুয়াশা দেখা যায়। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদ, ফসলের মাঠ, নদীর তীর ও খোলা জায়গায় কুয়াশার উপস্থিতি ছিল স্পষ্ট। সূর্য ওঠার পর ধীরে ধীরে কুয়াশা কেটে গেলেও ভোরের শীতল আবহাওয়া ঋতু পরিবর্তনের জানান দিচ্ছে।

উপজেলার পাঙ্গাশিয়া, শ্রীরামপুর, লেবুখালী, আঙ্গারিয়া ও মুরাদিয়া ইউনিয়নের গ্রামীণ জনপদে তৈরি হয়েছে শীতের আগমনী আমেজ। ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশিরবিন্দু আর নদীর ওপর হালকা কুয়াশা প্রকৃতিতে যোগ করেছে ভিন্ন সৌন্দর্য।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক দিন ধরে শেষ রাত ও ভোরের দিকে আবহাওয়ায় পরিবর্তন অনুভূত হচ্ছে। দিনের বেলায় গরম থাকলেও রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসে শীতলতা বাড়ছে। বিশেষ করে নদীতীরবর্তী ও খোলা এলাকায় শীতের অনুভূতি তুলনামূলক বেশি।

ভোরে কাজে বের হওয়া কৃষক, জেলে, দিনমজুর ও পথচারীরা হালকা শীত অনুভব করছেন। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তাপে আবারও গরম অনুভূত হচ্ছে। ফলে একই দিনে সকাল ও দুপুরে আবহাওয়ার ভিন্ন রূপের মুখোমুখি হচ্ছেন স্থানীয়রা।

দুমকি ছাড়াও পটুয়াখালীর কলাপাড়া, গলাচিপা ও রাঙাবালী উপজেলার গ্রামীণ জনপদে ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। নদী-নালা, খাল-বিল ও বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠঘেরা দক্ষিণাঞ্চলে হেমন্তের এ সময়ে ভোরের কুয়াশা ও শিশির প্রকৃতিতে স্বতন্ত্র আবহ তৈরি করে।

বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, এখন হেমন্তকাল। এ সময় রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। বাতাসের জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে ভোরে কুয়াশা ও শিশিরের সৃষ্টি হয়।

তবে এখনো পুরোদমে শীত নামেনি। দিনের তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকায় গরমের অনুভূতিও রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, নভেম্বরের শেষ দিকে শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে।

শীতের তীব্রতা এখনো অনুভূত না হলেও ভোরের কুয়াশা, শিশিরভেজা ঘাস ও হিমেল বাতাসে দক্ষিণাঞ্চলের প্রকৃতিতে স্পষ্ট হয়ে উঠছে শীতের আগমনী বার্তা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

Link copied!