শুটিং’র নতুন সভাপতি মেজর জেনারেল আতাউল হাকিমের ‘টার্গেট’ টোকিও অলিম্পিক

প্রকাশিতঃ 9:38 pm | September 22, 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো :

বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশনের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর ভাইস চ্যান্সেলর মেজর জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান।

বর্ণাঢ্য চাকরি জীবনে সাফল্যময় পথচলায় অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী এ সেনা কর্মকর্তা নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছেন অপার সম্ভাবনাময়ী শুটিংকে ঘিরে।

নিজে দায়িত্ব নিয়ে শুটিংয়ে গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন। প্রথম নির্বাহী কমিটির সভাতেই সমস্যা সনাক্ত করে সমাধানের পথ খুঁজেছেন।

টার্গেট নিয়েছেন চলতি বছরের টোকিও অলিম্পিকে ভালো ফলাফলের। লক্ষ্যপূরণে মন্ত্র গেঁথে দিয়েছেন সবার মস্তিষ্কে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) গুলশানে শুটিং ফেডারেশনে সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নতুন এ সভাপতি বলেছেন, ‘শুটিং হলো আমাদের গর্বের জায়গা। শুটিংয়ের মাধ্যমে আমাদের অনেক সম্মান এসেছে।

সামনের দিকে তা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আপাতত আমরা সীমিত পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছি। অলিম্পিককে সামনে রেখে খেলোয়াড়দের তৈরি করতে হবে। তাদের জন্য যা যা করার দরকার তাই করবো।’

সাফল্যের জন্য উন্মুখ হয়ে থাকা মেজর জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসানের আশাবাদী উচ্চারণ -‘নতুন কমিটি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন।

তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অলিম্পিকে ভালো প্রস্তুতি নিতে পারবো। আমরা শুটিংকে আগের মানের জায়গায় নিতে চাই।’

সাম্প্রতিক সময়ে শুটারদের অস্ত্র নিয়ে হয়রানি হতে হয়েছে। রাজস্ব বিভাগে দিতে হয়েছে হাজিরা।

নতুন সভাপতির আশ্বাস, ‘কিছু অস্ত্রের বিষয় ছিল, যা ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। সেটা যত দ্রুত সম্ভব, কয়েকদিনের মধ্যে আশা করছি অস্ত্রগুলো নিয়ে এসে শুটারদের দিতে পারবো। এতে অনুশীলন পুরোদমে করা যাবে।’

আগামীর শুটার খুঁজতে তৃণমূলে যেতে চান আতাউল হাকিম সারওয়ার হোসান, ‘আমরা ট্যালেন্ট হান্ট কীভাবে করতে পারি? এজন্য জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সচেষ্ট থাকবো।

ক্লাবগুলোর উন্নয়ন করতে হবে। বিদেশে যারা বাংলাদেশি আছেন, হয়তো শুটিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন, শুটিং ভালো করেন, তাদেরকেও কীভাবে নিয়ে আসা যায় সেই চেষ্টা করবো। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমাদের সব ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।’

শুটারদের আরও বেশি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পাঠাতে আগ্রহী নতুন সভাপতি। তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড়দের বিদেশে পাঠিয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়। এছাড়া বিদেশি দল এখানে আসলো। আমরাও গেলাম।

সেভাবে যদি করা যায় তাহলে শুটারদের কোয়ালিটির উন্নতি করা যাবে। সেটাই বড় লক্ষ্য থাকবে। এছাড়া শিগগিরই বিদেশি কোচ আনার চেষ্টা করছি।’

কালের আলো/এসআর/এআরএফ

Print Friendly, PDF & Email