দ্বিতীয় দিনে আড়াই ঘণ্টায় পশ্চিমাঞ্চল রেলের ১৪ হাজার টিকিট শেষ

প্রকাশিতঃ 11:34 am | March 25, 2024

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো:

ঈদযাত্রার ট্রেনের আগামী ৪ এপ্রিলের অগ্রিম টিকিট বিক্রির প্রথম আড়াই ঘণ্টায় ১৪ হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে৷

আজ সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হলেও সার্ভারের চাপ কমাতে দুপুর ২টায় শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের টিকিট বিক্রি। ঈদ উপলক্ষে দ্বিতীয় দিনের এ টিকিট বিক্রি হচ্ছে।

সোমবার (২৫ মার্চ) সাড়ে ১০টায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার এই তথ্য জানান৷

তিনি বলেন, সকাল আটটায় ঢাকা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের টিকিটগুলো ওপেন হয়েছে৷ সর্বশেষ সাড়ে দশটায় আমরা যে তথ্য পেয়েছি তাতে ১৪ হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে৷

তিনি আরও বলেন, দুপুর দুইটায় পূর্বাঞ্চলের টিকিটগুলো ওপেন হবে৷ পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলোতে প্রায় ১৬ হাজার আসন সংখ্যা ছিল৷

তিনি বলেন, আজকে ৩ এপ্রিলের টিকিট দেওয়া হয়েছে৷ এ বছর ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া আন্তঃনগর ৪২ জোড়া ট্রেনের টিকিট দুই পর্যায়ে দেওয়া হচ্ছে৷ ঈদ উপলক্ষে এই অগ্রিম টিকিট সম্পূর্ণ অনলাইনে বিক্রি হবে৷

এবার মোবাইলফোনে ওটিপি ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে টিকিট দেওয়া হচ্ছে৷ ঈদযাত্রাকে সুষ্ঠু রাখার জন্য সকল ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি৷

বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, ৫ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৬ মার্চ, ৬ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৭ মার্চ। এছাড়া ৭ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৮ মার্চ, ৮ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৯ মার্চ, ৯ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ৩০ মার্চ।

এর আগে টিকিট কালোবাজারি প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম জানিয়েছেন, ‘টিকিট বিক্রি শুরুর পর ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। সার্ভার ডাউনের কারণে সাইটে প্রবেশ করা যায় না। এগুলো সব সত্যি। এই টিকিট কালোবাজারির সঙ্গে একটি সিন্ডিকেট জড়িত। যাদের সঙ্গে সহজের লোক এবং আমাদের রেলের লোকও জড়িত। ইতোমধ্যে আমরা দুটি সিন্ডিকেটকে ধরে আইনের আওতায় এনেছি। ঠিকমতো টিকেটিং ব্যবস্থা চালু রাখার জন্য সহজকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ’

তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া টিকিট কালোবাজারি বন্ধে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কোনোরকম ছাড় দেওয়া হবে না। আশা করছি ঈদের আগে আরও ভালো ফল দিতে পারব।

কালের আলো/এমএইচ/এসবি

Print Friendly, PDF & Email