কাটা ধান পাকা নাকি কাঁচা জানালেন এমপি তানভীর

প্রকাশিতঃ 9:57 am | April 29, 2020

কালের আলো প্রতিবেদক:

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সম্প্রতি টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির ধান কাটার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। এরপর শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা । কেউ বলছেন সংসদ সদস্য কাঁচা ধান কেটেছেন, আবার কেউবা বলছেন ওই ধান পাকাই ছিল।

আলোচিত ওই ঘটনার বিষয়ে সাংসদ তানভীর হাসান ছোট মনির বলেন, আমি গোপালপুরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে পৌরসভার সুভুন্দি গ্রামের ধান ক্ষেতের আইল দিয়ে ফিরছিলাম। এসময় দেখি একজন কৃষক তার জমিতে একাই ধান কাটছেন। কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, শ্রমিক না পাওয়ায় একাই ধান কাটছেন। তার ৩০ শতাংশ জমির ৮০ ভাগ ধান তিনি একাই কেটেছেন।

তানভীর হাসান বলেন, পরে আমি আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বলি, আমি ধান কেটে উদ্বোধন করে দেই, বাকিটা তোমরা কেটে দাও। পরে নেতাকর্মীরা বাকি ধান কেটে দেয়। এখন বিভিন্নজন বলছে, আমি কাঁচা ধান কেটেছি- এটি সত্য নয় । আমি কেন কাঁচা ধান কাটতে যাব? ধান পেকেছে বিধায় ওই কৃষক তার ৮০ ভাগ একাই কেটে ফেলেছেন।

সংসদ সদস্য বলেন, করোনা উপেক্ষা করে দিনরাত গোপালপুর-ভুঞাপুরের বিভিন্ন এলকায় ঘুরে অসহায় ও গরীব লোকজনের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছি। সুখে দুঃখে তাদের পাশে রয়েছি। একটি মহল ইর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।

ধান পাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে কৃষক সুজন মিয়া বলেন, ‘ধানে পাক ধরেছে কয়েকদিন আগেই। আমি তিন-চারদিন ধরে ধান কাটছিলাম। এমন সময় এমপি সাব লোকজন নিয়ে এখান দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমাকে একা দেখে তিনি লোকজনকে নিয়ে ধান কেটে দেন।’

গোপালপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, বোরো-২৮ ধানের পাতা সবুজ থাকলেও ৯৫ ভাগ ধান পেকে গেছে। আমি সরেজমিন ঘুরে দেখেছি ওই ক্ষেতের ধান ৯৫ ভাগ পাকা ছিল। করোনাভাইরাসের কারণে কৃষকরা শ্রমিক না পাওয়ায় ঠিক সময়ে ধান কাটতে পারছেন না। ওই এলাকার প্রায় সব ধান পেকে গেছে। ঝড় ও শিলাবৃষ্টির আগেই আমরা কৃষকদের দ্রুত ধান কেটে নেওয়ার তাগিদ দিচ্ছি।

কালের আলো/ইএআর/এমএইচএ

Print Friendly, PDF & Email