পুলিশে ‘মুগ্ধ’ ও ‘কৃতজ্ঞ’ প্রধানমন্ত্রী; গড়তে চান বিশ্বমানের ‘স্মার্ট পুলিশ’

প্রকাশিতঃ 4:14 pm | January 03, 2023

এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর, কালের আলো:

ক্ষমতালোভী ঘৃণিত ঘাতকের তপ্ত বুলেট স্তব্ধ করে দিয়েছিল বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের দ্ব্যর্থহীন বজ্রকণ্ঠ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। মুক্তিযুদ্ধজয়ী বাঙালি জাতির গৌরবোজ্জ্বল ললাটে এক কলঙ্কতিলক ১৫ আগস্ট কালরাতের নৃশংসতা। কি নিষ্ঠুর, কি ভয়াল, কি ভয়ঙ্কর-সেই রাত। মানচিত্রের কাঁধে চাপিয়ে দেয় ইতিহাসের সবচেয়ে ভারী লাশের বোঝা। রক্তঝরা অশ্রুভেজা সেই রাতে ঘাতকের বুলেটে আহত হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর চাচাতো বোন হামিদা খানম রানু।

আহত হয়েও ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান রাজধানীর মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবনে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছেলে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ ও তাঁর স্ত্রী সাহান আরা বেগম। বঙ্গবন্ধু পরিবারে লোমহর্ষক এই হত্যাকান্ডের পর প্রাণে বেঁচে যাওয়া এসব সদস্যদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন রমনা থানা পুলিশের সদস্যরা। মনের কোণে জমানো কষ্টগুলো আজও পাথরের মতো জমাট বেঁধে আছে বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হৃদয়ে।

৪৮ বছর পরেও নিজ পরিবারের সদস্যদের হারানোর শোক উদ্বেলিত সুর তুলে তাঁর প্রাণে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবাহিত জনকের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন ও পরিপূর্ণতা লাভের দৃঢ় অঙ্গীকারের যাত্রাপাথে বঙ্গবন্ধু কন্যার মনের শেঁউতিতে উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতোই জ্বলজ্বল দেশপ্রেমিক পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা।

সব হারানোর শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে জাতির পিতার দেশপ্রেমের শক্তিতে বলীয়ান হওয়ার দৃপ্ত শপথে মঙ্গলবার (০৩ জানুয়ারি) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে চলতি বছরের পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনকালে তিনি নিজের জবানীতে তুলে এনেছেন ৭৫’র বিয়োগান্তক ঘটনা। কৃতজ্ঞচিত্তেই স্মরণ করেছেন তাঁর পরিবারের সদস্যদের জন্য পুলিশ বাহিনীর সাহসী সদস্যদের অনির্বাণ মানবিকতা।

বাষ্পরুদ্ধ হাহাকারে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল এমন-‘বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে কর্মরত পুলিশের এসবি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান বাঁধা দিয়েছিল ঘাতকের দলকে ওপরে যেতে। তাকেও গুলি করে হত্যা করে। আমি তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।’ বঙ্গবন্ধুকন্যা বলতে থাকেন, ‘সেদিন গুলিবিদ্ধ হন আমার ফুফু, আমার ফুফাতো বোন বিউটি, রীণা, আমার ফুফাতো ভাই খোকনসহ কাজের মহিলা ও ছোট বাচ্চা। পরবর্তীতে কাজের মেয়ে ও ছোট বাচ্চা মৃত্যুবরণ করে। এই ঘাতকের দল চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রমনা থানার যিনি ওসি ছিলেন তিনিসহ রমনা থানা থেকে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা তাদের বাড়িতে গিয়ে আহত-নিহতদের মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তখন পুলিশ সাহস করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিল বলেই আমার ফুফু, দুই ফুফাতো বোন, আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ’র স্ত্রী সাহানা ও আমার ফুফাতো ভাই জীবনে বেঁচে গিয়েছিল। তারা পঙ্গু অবস্থায় বাকি জীবন কাটান। এখনও আমার ফুফাতো বোন বিউটি পঙ্গু অবস্থায় আছে। সেদিন পুলিশ বাহিনী থেকে সাহসী ভূমিকা নেয়া হয়েছিল। আমি তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’

প্রধানমন্ত্রীর ঠিক পেছনে তখন দাঁড়ানো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, পুলিশপ্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ও জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো.আমিনুল ইসলামসহ অন্যদের চোখ ছলছল করে উঠে।

বাঙালি জাতির ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ডাক দেন। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে রাজারবাগে পাকিদের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তুলেন পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে পুলিশ বাহিনীর ত্যাগ ও অবদানে নিজের মুগ্ধতার কথাও উচ্চারণ করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ পুলিশকে বরাবরের মতো এবারও সেবার মাধ্যমে দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনেও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন।

করোনার কারণে দুই বছর পর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে এবার সশরীরে উপস্থিত হয়ে পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিকল্পনা অনুযায়ী পুলিশ হবে জনগণের, শোষকের নয়।’ তাই পুলিশ সম্পর্কে জনগণের ভীতি দূর করে বাহিনী হিসেবে জনগণের সেবা এবং ভালো কাজগুলো চালিয়ে যেতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা অটুট রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করুন।’

‘বঙ্গবন্ধু সর্বদা এ দেশের পুলিশকে জনগণের পুলিশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য অনুপ্রাণিত করতেন এবং আমি ধন্যবাদ জানাই আমাদের পুলিশ বাহিনী এখন জনগণের পুলিশ হিসেবেই তাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। আগে পুলিশের নাম শুনলে মানুষ ভয় পেতো, এখন জানে পুলিশ সেবা দেয় ও তাদের পাশে দাঁড়ায়’-যোগ করেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, ‘অত্যন্ত মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেই আপনারা এই সেবা করে যাবেন। জনগণের মনে পুলিশের প্রতি যে আস্থা সৃষ্টি হয়েছে সেটা যেন অক্ষুণ্ণ থাকে। আমরা চাই আমাদের পুলিশ বাহিনী জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী হিসেবেই জাতির পিতার সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে।’

জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে একটি দক্ষ এবং বিশ্বমানের স্মার্ট পুলিশের দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার পুলিশ বাহিনীকে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যানবাহন সরবরাহ করেছে। পুলিশের গতিশীলতা ত্রিমাত্রিক পর্যায়ে উন্নীতকরণে ইতোমধ্যে রাশিয়া থেকে দুটি হেলিকপ্টার ক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ বাহিনীর জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ এভিয়েশন ইউনিট গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।’

বিএনপি-জামায়াত চক্রের অগ্নিসন্ত্রাস মোকাবেলায় পুলিশের বীরোচিত ভূমিকার কথাও মোটা দাগে তুলেন আনেন মুজিবকন্যা। ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াতের ‘আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যার সময়’ পুলিশ সদস্যদের বলিষ্ঠ ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সে সময় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষ অগ্নিদগ্ধ এবং ৫শ’ মানুষ নিহত হয়েছিল। পুলিশ বাহিনীও রেহাই পায়নি। ২৯ জন পুলিশ সদস্যও নির্দয় নির্যাতনের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেন এবং অনেকে আহত হন। খুব নির্দয়ভাবে পুলিশকে বিএনপি-জামাত-শিবিররা যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা করেছে তা কোথাও দেখা যায় না। এদের হামলায় সাড়ে ৩ হাজার বাস-ট্রাক, ১৯টি ট্রেন, ৯টা লঞ্চ পুড়ে ধ্বংস হয়। ৭০টি সরকারি অফিস ও স্থাপনা ভাংচুর করে এবং ৬টি ভূমি অফিস সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দেয়।’

পুলিশের সদস্যরা জীবন বাজি রেখে দায়িত্ব পালন করে তাদের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড রুখে দিয়েছিল এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ ধরনের জঘন্য ঘটনা বাংলাদেশে যেন আর না ঘটে সে বিষয়েও তিনি সকলকে সতর্ক করেন। জনগণের সাথে থেকে এটা প্রতিরোধ করার জন্য তিনি পুলিশ বাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

তিনি জঙ্গি প্রতিরোধে পুলিশ সদস্যদের ভূমিকার প্রশংসা করে হলিআর্টিজন বেকারির জঙ্গি হামলার ঘটনায় আত্মাহুতি দানকারী দুই পুলিশ সদস্যকেও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তার সরকার দেশকে জঙ্গিবাদ থেকে রক্ষায় সবরকম ব্যবস্থা নিয়েছে এবং পুলিশ বাহিনী জঙ্গি, সন্ত্রাস, মাদক, চোরাচালানি বা মানুষ পাচারের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও আমাদের পুলিশ বাহিনী বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। এজন্য পুলিশের বিশেষ করে মহিলা কন্টিনজেন্ট আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও ভূয়সী প্রশংসা পাচ্ছেন।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ ব্যবহার করে এখন খুব সহজেই বিপদাপন্ন মানুষজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে। জনগণ ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও পুলিশের সেবা পাচ্ছে এই ‘৯৯৯’ ব্যবহার করে। কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়া একদল ছাত্রকে ’৯৯৯’ এ ফোন করার পর উদ্ধারের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সেবা প্রদান সহজ করতে প্রতিটি থানায় নারী-শিশু-বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ডেস্ক স্থাপন করেছে, নারীবান্ধব বিভিন্ন অ্যাপ চালু করেছে। এছাড়া, অনলাইন জিডি কার্যক্রম ও অন্যান্য অনলাইনভিত্তিক সেবা ও মোবাইল অ্যাপ প্রবর্তনের মাধ্যমে পুলিশের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে।

পুলিশের উন্নয়নে তার সরকারের নানা পদক্ষেপের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ইতোমধ্যে পুলিশে এন্টি টেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ) এবং কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) গঠন করেছি।

বাংলাদেশ পুলিশে ইতোমধ্যে ডিএনএ ল্যাব, আধুনিক ফরেনসিক ল্যাব, অটোমেটেড ফিঙ্গার প্রিন্ট আইডেন্টিফিকেশন (এএফআইএস) এবং আধুনিক রাসায়নিক পরীক্ষাগার স্থাপন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রতিটি বিভাগীয় সদর দপ্তরে এ ধরনের ল্যাব স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, সাইবার অপরাধ মোকাবেবলায় আমরা সিআইডিতে একটি ‘সাইবার পুলিশ সেন্টার স্থাপন’ করেছি। এছাড়া, ডিএমপির ‘সিটিটিসি’-সহ পুলিশের অন্যান্য ইউনিটও সাইবার অপরাধ দমনে কাজ করছে। অচিরেই আমরা বাংলাদেশ পুলিশে একটি পূর্ণাঙ্গ সাইবার পুলিশ ইউনিট স্থাপন করব এবং জেলা পর্যায় পর্যন্ত এ ইউনিটের শাখা বিস্তৃত করা হবে।

সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছে এবং দেশকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে তুলে আনতে সক্ষম হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, করোনার অভিঘাত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং একে কেন্দ্র করে স্যাংশন ও পাল্টা স্যাংশনের ঘটনা না ঘটলে বাংলাদেশকে তার সরকার আরও অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারতো। তারপরও ২০৪১ নাগাদ সরকার এই বাংলাদেশকে জ্ঞান, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি জ্ঞানে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ করে যাচ্ছে।

খোলা জিপে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ পরিদর্শন
এর আগে প্রধানমন্ত্রী একটি খোলা জিপে করে বাংলাদেশ পুলিশের বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন তাঁর সঙ্গে ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী ১১৭ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) সাহসিকতা, রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) সাহসিকতা, বিপিএম সেবা এবং পিপিএম-সেবা প্রদান করেন।

সকাল ১০ টায় প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ও অতিরিক্ত আইজিপি (এডমিন) মো. কামরুল আহসান তাকে স্বাগত জানান।

পুলিশ সপ্তাহে আমন্ত্রিত অতিথিরা
পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানের দর্শক সারিতে বসে কুচকাওয়াজ উপভোগ করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি, আওয়ামী লীগের ৫ বারের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি এমপি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো.তাজুল ইসলাম এমপি, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহাবুব আলী, গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর বেসামরিক খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অবলোকন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ও তাঁর স্ত্রী বেগম নূরজাহান আহমেদ। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথির তালিকায় ছিলেন সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইফুল আলম, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার উজ জামান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ, পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল নুরুল আনোয়ার, কারা অধিদপ্তরের আইজি (প্রিজন্স) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম আনিসুল হক, র‍্যাব ডিজি অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।

কালের আলো/এমএএএমকে

Print Friendly, PDF & Email