প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতায় বিশ্বে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট অর্জনে বিজিবি’র পথচলা অহর্নিশ

প্রকাশিতঃ 10:54 pm | December 19, 2022

এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর, কালের আলো:

১৭৯৫ সালে রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন নামে গড়ে উঠা বাহিনীটির যাত্রা শুরু। গোড়াপত্তনের সেই সময়ে সাকুল্যে সদস্য সংখ্যা ছিল ৪৪৮ জন। কালের বিবর্তনে ২২৭ বছরের ঐতিহ্যে এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বাহিনীটিতে চলমান রয়েছে ১৫ হাজার জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া।

স্বাধীনতা যুদ্ধে উজ্জ্বল ভূমিকা রাখা এই বাহিনীটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে রোজকার সময় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। বীরত্ব আর শৃঙ্খলার প্রতীক আধা-সামরিক এই বাহিনী বিজয়ের ৫১ বছরে আধুনিক ও যুগোপযোগী এক বাহিনী হিসেবে দেশের পরিমণ্ডল ছাপিয়ে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলেও নিজেদের মেলে ধরেছে।

মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের স্বাক্ষর রাখা বিজিবিকে নিয়ে আরও বিশাল এক স্বপ্ন বুনেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ‘সীমান্ত রক্ষায় বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বিজিবি’- ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর পিলখানায় বিজিবি দিবসে এমন আশাবাদী উচ্চারণই করেছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

সরকারপ্রধানের প্রত্যাশা পূরণে তারই দূরদর্শীতায় বর্তমান মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদের সুদৃঢ় নেতৃত্বে দেশের জলে, স্থলে ও আকাশপথের সুরক্ষা নিশ্চিত করে ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে রূপ নিয়েছে বিজিবি।

কেবল সীমান্ত রক্ষাই নয়, অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রাকৃতিক অথবা সামাজিক যেকোন দুর্যোগে দেশের মানুষের আস্থার ঠিকানায় পরিণত হয়েছে গৌরবোজ্জ্বল এই বাহিনীটি। এই বাহিনীর সদস্যদের অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে বাড়ানো হচ্ছে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও।

২০২০ সালের রোববার (০৮ নভেম্বর) রাশিয়ার তৈরি দুটি অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার এমআই ১৭১ ই হেলিকপ্টার ‘বীর শ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ’ এবং ‘বীর শ্রেষ্ঠ আব্দুর রউফ’ এর উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের ঐতিহ্যবাহী সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নদীমাতৃক দেশটির সীমান্ত প্রহরায় বাহিনীটিতে যোগ হয়েছে নৌযান। জলে, স্থলে এবং আকাশপথে সর্বত্রই বিজিবির সমান বিচরণ রয়েছে। বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে বিজিবির কমান্ড স্তর। সীমান্তে পাকা সড়ক তৈরি, স্মার্ট ডিজিটাল বর্ডার গার্ড সার্ভিলেন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্যাল বর্ডার রেসপন্স সিস্টেমের সাহায্যে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমন, বিজিবিতে অল টেরেইন ভেহিকল (এটিভি), আর্মার্ড পার্সোন্যাল ক্যারিয়ার (এপিসি), রায়ট কন্ট্রোল ভেইকেল (আরভি), হাই স্পিড বোট (সিলভার ক্র্যাফট, হারিকেন সান ওয়েপন ১৮৭) এবং অত্যাধুনিক অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড ওয়েপন (এটিজিডব্লিউ) সংযোজন হয়েছে। এর মাধ্যমে দূর থেকে শত্রুপক্ষের ট্যাংক সহজে ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধ্বংস করা সম্ভব। এসবই বিজিবির ধারাবাহিক অগ্রগতির সারসংক্ষেপ।

শুধু তাই নয়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১’কে সামনে রেখে বিজিটিসির রিক্রুট ট্রেনিং আধুনিকায়ন করা হয়েছে। রিক্রুট ট্রেনিংয়ের অগ্রগতি বিশ্লেষণ ও মূল্যায়নের জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। এছাড়া তাদের নানাবিধ শারীরিক, রণকৌশল ও তাত্ত্বিক বিষয়াদি সম্পর্কিত প্রশিক্ষণও আধুনিকায়ন করা হয়েছে। একইসঙ্গে নৈতিক ও নেতৃত্বের গুণাবলী শিক্ষা এবং মানবাধিকার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বিজিবিতে প্রথম নারী সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে নারী সদস্যের সংখ্যা ৯২২ জন।

বিজিবি একটি সুসংগঠিত, চৌকস, সুশৃঙ্খল ও পেশাদার বাহিনী
বিজিবির অগ্রগতি ও উৎকর্ষতা নিয়ে বরাবরই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। চলতি বছরের বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিজিবির ৯৮তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী দিকনির্দেশনায় বিজিবি আজ একটি সুসংগঠিত, চৌকস, সুশৃঙ্খল ও পেশাদার বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিজিবিকে একটি অত্যাধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সীমান্তরক্ষী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিজিবির সাংগঠনিক কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন এনে বিজিবিকে একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে উন্নীত করা হয়েছে। বিজিবি এখন জল, স্থল ও আকাশপথে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনে সক্ষম।’

প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্যে বিজিবির অগ্রযাত্রা
২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বাহিনীকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে নানা কার্যক্রম হাতে নেয়ার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ’ আইন-২০১০ পাশের পর এই বাহিনীকে পুনর্গঠন করি। ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ’কে একটি যুগোপযোগী ও আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। এই বাহিনীকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে সমগ্র বাংলাদেশের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা পুনর্বিন্যাস করে পাঁচজন অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্বে পাঁচটি রিজিয়নে বিভক্ত করা হয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে আধুনিক সীমান্ত রক্ষী বাহিনী হিসেবে রূপান্তরের জন্য ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১’ এর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিজিবিকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এবং দেশের সীমান্ত এলাকায় নিশ্ছিদ্র নজরদারি ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় আমরা ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্তে স্মার্ট ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ট্যাকটিকাল রেসপন্স সিস্টেম স্থাপন ও সম্প্রসারণ করি। বিজিবির সাংগঠনিক কাঠামোতে ১২টি আর্মড পার্সোনেল ক্যারিয়ার (এপিসি), ১০টি রায়ট কন্ট্রোল ভেহিক্যাল, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিভিন্ন সিরিজের ১২টি হাইস্পিড বোট, দু’টি ভেহিক্যাল এক্সরে স্ক্যানার মেশিন কেনা হয়েছে। এছাড়াও ১৪টি আধুনিক ও যুগোপযোগী এন্টি ট্যাংক গাইডেড উইপন্স কেনা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতায় আধুনিক ও শক্তিশালী বিজিবি
বঙ্গবন্ধুকন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রচেষ্টায় আধুনিক ও শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে বিজিবি নিজেদের পথচলা অব্যাহত রেখেছে, সব সময়ই কৃতজ্ঞচিত্তেই উচ্চারণ করেন বাহিনীটির মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ। ‘মনোবল, ভ্রাতৃত্ববোধ, শৃঙ্খলা ও দক্ষতায়’ উদ্বুদ্ধ হয়ে তাঁর দক্ষ ও গতিশীল নেতৃত্বে বিজিবি গুণগতমান ও সরঞ্জামের দিক থেকে অনেক উন্নত এক বাহিনী। আধুনিক প্রযুক্তিজ্ঞানে অভ্যস্ত বিজিবি বর্তমান সরকারের সময়ে অভূতপূর্ব উন্নতি ও অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে দুরন্ত-দুর্বার গতিতে। দেশের দীর্ঘ সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান, নারী-শিশু পাচার বন্ধেও নিয়মিত কাজ করে চলেছেন বিজিবি সদস্যরা।

বিজিবি মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ দায়িত্বভার গ্রহণের পর গত ৫ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বলেন, ‘জাতির পিতা এই বাহিনী সৃষ্টি করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাহিনীটিকে ত্রিমাত্রিক ও নবজীবন দান করেছেন। এখন আমরা জলে, স্থলে ও আকাশপথে অপারেশন পরিচালনার সক্ষমতা অর্জন করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আধুনিকায়নের মাধ্যমে এই বাহিনীকে যুগোপযোগী করেছেন।’

বিজিবির মহাপরিচালক সেদিন আরও বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই বাহিনীর ৮১৭ জন সদস্য শহীদ হয়েছেন, যার মধ্যে দুজন বীরশ্রেষ্ঠ আছেন। জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়ে তোলার অগ্রযাত্রায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে মাতৃভূমির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিজিবি অবদান রেখে যাবে।’

নানা আয়োজনে পালিত হবে বিজিবি দিবস
মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দিবস উদযাপিত হবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানিয়েছে, এদিন দিবসের কর্মসূচি অনুযায়ী ফজরের নামাজের পর পিলখানাস্থ সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ মহাপরিচালকের সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজিবি’র রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন এবং সীমান্ত গৌরবে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

পরে সকাল ১০ টায় বিজিবি সদর দপ্তরের বীরউত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজিবি দিবসের আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ, বিজিবিতে বীরত্বপূর্ণ ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিজিবি সদস্যদের পদক প্রদান এবং পরবর্তীতে বিজিবি সদস্যদের বিশেষ দরবার নিবেন।

বিজিবি দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানটি বিটিভিসহ অন্যান্য বেসরকারি টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে স্মরণিকা প্রকাশের পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

এছাড়া বিজিবি দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে বিরাজমান পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও আস্থা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ২০ ডিসেম্বর বিকেলে যশোরের বেনাপোল, পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্থলবন্দর সংলগ্ন আইসিপিতে বিজিবি-বিএসএফ’র জমকালো ‘জয়েন্ট রিট্রিট সিরিমনি’ অনুষ্ঠিত হবে।

জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম জানান, বিজিবি দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে আগামীকাল ২১ ডিসেম্বর সকালে পিলখানাস্থ সীমান্ত সম্মেলন কেন্দ্রে বিজিবি মহাপরিচালকের বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে। দরবার শেষে মহাপরিচালক বিজিবিতে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিজিবি’র কর্মকর্তা ও সদস্যদেরকে পদক ও ইনসিগনিয়া প্রদান করবেন।

এছাড়াও অপারেশনাল কার্যক্রম, চোরাচালান নিরোধ এবং মাদকদ্রব্য আটকের ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কার প্রদান এবং অনারারী সুবেদার মেজর হতে অনারারী সহকারী পরিচালক ও অনারারী সহকারী পরিচালক হতে অনারারী উপপরিচালক পদে পদোন্নতি প্রাপ্তদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান করানো হবে। এ অনুষ্ঠানে অত্র বাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা/উত্তরাধিকারীগণকে সংবর্ধনা, অনুদান ও উপহার প্রদান করা হবে।

বিজিবি জানায়, এছাড়া দুপুরে প্রীতিভোজ এবং সন্ধ্যায় পিলখানাস্থ ঢাকা সেক্টর মাঠে বিজিবি’র নিজস্ব অর্কেস্ট্রা ও শিল্পীসহ দেশের বরেণ্য শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

বিজিবি দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে পিলখানা ছাড়াও ঢাকার বাইরে বিজিবি’র সকল রিজিয়ন, প্রতিষ্ঠান, সেক্টর ও ইউনিট পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন, মিলাদ ও বিশেষ দোয়া, প্রীতিভোজ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

কালের আলো/এমএএএমকে

Print Friendly, PDF & Email