পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধনে অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি মেয়র আতিকের

প্রকাশিতঃ 8:23 pm | December 04, 2022

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো:

আগামী বুধবার (৭ ডিসেম্বর) থেকে ১৫ দিনের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) পাঁচটি ওয়ার্ডে (১, ১৭, ৪৯, ৫০ ও ৫২) মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে সব বিভাগের ‘সমন্বিত ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

তিনি এ সময় বলেছেন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশক নিধন কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও তৎপর হতে হবে। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শকদের প্রতিটি এলাকা পরিদর্শন করে কোন কোন ড্রেনে ময়লা বেশি সেটার তালিকা তৈরি করতে হবে। কোন কোন ড্রেনে ও নালায় কচুরিপানা ও অন্যান্য ময়লা বেশি সেগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। মাঠে কাজের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশক নিধন কার্যক্রমে কর্মীদের অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশান-২ এ নগর ভবনের হলরুমে আয়োজিত এক সভায় এই হুঁশিয়ারি দেন মেয়র।

ডিএনসিসি মেয়র আতিক বলেন, ‘১০টি অঞ্চলে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে কাউন্সিলরদের অন্তর্ভুক্ত করে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের কর্মকর্তাগণের সমন্বয়ে একটি সমন্বিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা কমিটি গঠন করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ৫টি ওয়ার্ডে প্রাথমিকভাবে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে পুরো এলাকায় এই সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’

সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্জ্য বিভাগ প্রতিটি এলাকার ড্রেন, খাল, নালা ও জলাশয় নিয়মিত পরিষ্কার করবে এবং তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কোনো খাল, নালা ও জলাশয়ে কচুরিপানা জমতে দেওয়া যাবে না। প্রতিদিন পরিষ্কার করে ছবি তুলে সেগুলোর প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।’

এছাড়াও ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন সরকারি, সায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন ডোবা ও জলাশয়ের মালিকদের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পত্র প্রদানের নির্দেশনাও দিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সমন্বয় সভায় অন্যদের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সমন্বয় সভায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাগণ ছাড়াও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী, ঊর্ধ্বতন নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা, সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা, পরিছন্ন পরিদর্শক ছাড়াও মশক সুপারভাইজারগণ অংশ নেন।

কালের আলো/এসবি/এমএম

Print Friendly, PDF & Email