দাম বাড়ানোর যৌক্তিকতা কোম্পানী ও ভোক্তার মধ্যে পরিষ্কার হওয়ার দরকার: ডিজি

প্রকাশিতঃ 5:34 pm | September 07, 2022

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো:

বিভিন্ন কোম্পানি ও ভোক্তাদের মধ্যে দরদাম নিয়ে একটা দূরত্ব আছে জানিয়ে ভোক্তা অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ.এইচ.এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, যখন কোনো জিনিসের দাম বাড়ে। আমরা তখন ভোক্তাদের সাথে কথা বললে তারা বলেন যে তাদের পকেট কাটা হচ্ছে। আবার আমরা যখন কোম্পানিগুলোর সাথে কথা বলি তখন তারাও স্ট্রং যুক্তি দেখায়। এখন দাম বাড়ানোর বিষয়ে কোম্পানি ভোক্তাদের মাঝে তাদের দাম বাড়ানোর বিষয়টা পরিষ্কার করতে পারছে না। এই বিষয়টি ক্লিয়ার হওয়ার দরকার।

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবি সভাকক্ষে এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভোক্তা ও ব্যাবসায়ী পর্যায়ের এ সেমিনারের আয়োজন করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

সফিকুজ্জামান বলেন, দাম নির্ধারণ করার অথোরিটি আমাদের নাই। দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। সরকার যদি কোনো জনিসের দাম নির্ধারণ করে দেয় সেটা তদারকি করার দায়িত্ব আমাদের। সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে কি না, পণ্যের গায়ের রেট অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছে কি না সেটা দেখা। আমরা আরেকটা বিষয় দেখাশোনা করি সেটা হচ্ছে কোনো নকল প্রোডাক্ট বাজারে বিক্রি হচ্ছে কি না। এসব বিষয়ে আমরা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমরা নকল পণ্য ধরতে খুব সক্রিয় ভাবে কাজ করছি। ইতোমধ্যে আমরা এক ইলেকট্রিক সুইচ ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালিয়েছি। তারা যেটা করত, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সুইচ ইলেক্ট্রিক পণ্য নকল করত। তাদের কোনো কাগজ পত্রই ছিল না। তাদের এই নকল প্রোডাক্টের জন্য অগ্নিকাণ্ডসহ বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। আমরা সেখানে অভিযান পরিচালনা করেছি।

কোম্পানিগুলোর উদ্দেশ্যে ভোক্তা অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, আপনারা আমাদেরকে জানান কোথায় এসব নকল পণ্য তৈরি হচ্ছে। কিভাবে মর্কেট চেইনে আসছে। এগুলা তো ছোট কোনো জিনিস না যে পকেটে করে নিয়ে গোপনে বিক্রি করবে। এগুলা তো অপেন বিক্রি হচ্ছে। আপনারা আমাদের এসবের উৎসের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন। আমরার যথাযথ ব্যবস্থা নেব।

ভোক্তার উপসহকারী পরিচালা বিকাশ চন্দ্র সাহা, আফরোজা রহমান, সেমিনারে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ- ক্যাবের প্রতিনিধি কাজী আবদুল হান্নানসহ বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএস/এমএম

Print Friendly, PDF & Email