সীতাকুণ্ড ট্র্যাজেডির রাতেই প্রধানমন্ত্রী সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন : বিপ্লব বড়ুয়া

প্রকাশিতঃ 6:52 pm | June 06, 2022

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো:

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে গত শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে। আগুন লাগার পর রাসায়নিকের কনটেইনারে একের পর এক বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটতে থাকলে বহু দূর পর্যন্ত কেঁপে ওঠে। অগ্নিকাণ্ড ও ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ জন হয়েছে।

বিস্ফোরণের পর মধ্যরাত থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে অবগত হয়ে সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

তিনি বলেছেন, শনিবার মধ্যরাতে কন্টেনার ডিপোতে যখন অগ্নিকাণ্ড শুরু হয়। মধ্যরাত থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবগত ছিলেন, রাতেই তিনি যারা চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে আছে, প্রশাসনে আছেন, সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছেন এবং গতকাল তিনি ঢাকা থেকে হেলিকপ্টার পাঠিয়েছিলেন। যাতে করে গুরুতর আহতদের ঢাকার বিশেষায়িত হাসপাতাল শেখ হাসিনা বার্ণ ইনস্টিটিউট নিয়ে যাওয়া যায়।

সোমবার (৬ জুন) বেলা ১২ টার দিকে চমেক হাসপাতালের পরিচালকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিপ্লব বড়ুয়া এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এটি চট্টগ্রামের মানুষের জন্য একটি দুর্যোগ। চট্টগ্রামের চিকিৎসক সহ আমরা সবাই মিলে সুস্থ করে তুলবো। আমি বলবো এখানে আমাদের নেতা কর্মীরা যাতে অহেতুক ভিড় না করেন। আমাদের চিকিৎসকদের চিকিৎসা প্রদানে কোন রকম অসুবিধা না হয়, সে ব্যাপারে সহযোগিতা করেন।

ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া আরও বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শেখ হাসিনা বার্ণ ইনিস্টিটিউটের সমন্বয়কারী সামন্ত লাল সেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি টিম এখানে এসেছে।

‘যদি এখানে কোন রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হয়। তাহলে চমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে তারা রোগী সেখানে নিয়ে যাবেন।’

তিনি বলেন, এ ঘটনায় অনেকের প্রাণ হানী হয়েছেন। এখানে যদি কারো ব্যর্থতা বা অবহেলা থাকে সেটির জন্য একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা মারা গিয়েছেন তাদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। যারা আহত হয়েছেন তাদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, আমি যে কথাটি বলতে চাই, দুর্ঘটনা হয়েছে পরিবর্তিতে চট্টগ্রামের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিশেষ করে আ.লীগ পরিবারের সমস্যরা রাত জেগে যেভাবে মানুষকে হাসপাতালে এসে সহায়তা প্রদান করেছেন এটি একটি অভূতপূর্ব বলে আমি মনে করি।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা এসেছেন এবং আরও আসবেন। এছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এখানে চিকিৎসা ব্যবস্থা সব রকমের সুযোগ সুবিধা দিয়ে যতো দ্রুত সম্ভব সময়ে উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে আহতের জীবন রক্ষার জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছেন।

কালের আলো/এসবি/এমএম

Print Friendly, PDF & Email