পর্যটক ঢলে মুখরিত কক্সবাজার

প্রকাশিতঃ 9:45 am | May 05, 2022

কক্সবাজার প্রতিবেদক, কালের আলো:

ঈদের প্রথম দিনের চেয়ে দ্বিতীয় দিনে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকদের উপস্থিতি বেড়েছে কয়েকগুণ। বুধবার (০৪ মে) সকাল থেকে রীতিমতো তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না সৈকতে। এদিন সৈকতের যেদিকে চোখ যায় মানুষ আর মানুষের ঢল। সৈকতের বালিয়াড়ি ও লোনাজলে উৎসব-উল্লাসে মেতে উঠেছে লাখো পর্যটক।

আর এদিকে ঈদের তৃতীয় দিনে বৃহস্পতিবার (০৫ মে) পর্যটকের কমতি দেখা যায়নি। বরং বেড়েছে আরও।

ঈদ ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে শনিবার (৭ মে) পর্যন্ত পর্যটন নগরীতে পাঁচ লাখের বেশি পর্যটক উপস্থিতির আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ সময়ে প্রায় অর্ধহাজার কোটি টাকার বাণিজ্যের আশাও করছেন তারা।

সৈকতে হারিয়ে যাওয়া শিশু ও বয়স্কদের খুঁজে পরিবারের কাছে ফেরাতে এবং তৃষ্ণার্থ পর্যটককে পানি পানের ব্যবস্থা করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

গ্রীষ্মের গরম পর্যটকদের ভোগাচ্ছে। তারপরও সাগরের হাওয়া খেতে লোকারণ্য সৈকতের বালিয়াড়ি। ভিড় রয়েছে হোটেল-মোটেল জোনের অলিগলি রাস্তাতেও। সবখানেই লোকজনের ভিড়। বাইবাস সড়ক, কলামতী ডলফিন মোড়, হোটেল-মোটেল জোন, লাবণী, শৈবাল সড়কে যানজট তৈরি হয়েছে।

টইটম্বুর পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্তক অবস্থায় দায়িত্বপালন করছে ট্যুরিস্ট ও জেলা পুলিশ। মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। মাঠে টহল দিচ্ছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ ভ্রাম্যমাণ আদালত। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে পর্যটন স্পটগুলো।

ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম জানান, ঈদ, সাপ্তাহিক মিলিয়ে টানা ছুটিতে বিপুল সংখ্যক পর্যটক কক্সবাজার এসেছেন। কেউ এসেছেন ঈদের রাতে, আবার কেউ এসেছেন বুধবার সকাল-বিকেল ও রাতে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ বলেন, বিনোদনের পাশাপাশি পর্যটকদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে সচেতনতামূলক মাইকিং করা হচ্ছে। সৈকতের ১১টি পয়েন্টে তথ্যকেন্দ্র স্থাপন করা আছে। কোথাও পর্যটক হয়রানির অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মাঠে রয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

কালের আলো/ডিএস/এমএম

Print Friendly, PDF & Email