একনেকে প্রায় ১৬ হাজার কোটি ব্যয়ে ১২ প্রকল্প অনুমোদন

প্রকাশিতঃ 2:36 pm | March 22, 2022

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো:

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১২ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ১৫ হাজার ৭৪৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১১ হাজার ৬৭৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ থেকে ৪ হাজার ৬৮ কোটি ৫৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ১ হাজার ২০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী, ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) মামুন-আল-রশীদ, কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য শরিফা বেগম।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানান, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশকে আলোকিত করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। সেইসঙ্গে কোভিড মোকাবিলা এবং বাজারে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে এক কোটি মানুষকে সহায়তা করায় তাকে অভিনন্দন জানানো হয়।

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো- বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ২০০টি ব্রডগেজ (বিজি) প্যাসেঞ্জার ক্যারেজ সংগ্রহ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৭০৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। লোকাল গভর্নমেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স এন্ড রিকভারি প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৫৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। উপকূলীয় জেলাগুলো বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে পানি সরবরাহ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৬১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। বিএএফ ঘাঁটি জহুরুল হক, চট্টগ্রামে বিমানসেনা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪০ কোটি ৪২ লাখ টাকা। দি প্রজেক্ট ফর ইমপ্রুভমেন্ট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ফ্যাসিলিটিস প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২২৮ কোটি ৮ লাখ টাকা। নওগাঁ সড়ক বিভাগাধীন ৩টি আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং ৩টি জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৮২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য এক্সটারনাল টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৭৮ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বীজ বর্ধন খামার স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। ভূ-গর্ভস্থ সেচনালা বর্ধিতকরণের মাধ্যমে সেচ এলাকা ও সেচ দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরীক্ষামূলকভাবে ড্রিপ সেচ পদ্ধতির প্রচলন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২৯ কোটি টাকা। সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮২ কোটি টাকা। পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৫০ কোটি টাকা। বরিশাল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬৯৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

কালের আলো/বিএসবি/এমএ

Print Friendly, PDF & Email