২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু রোগী কমেছে ২২ শতাংশ

প্রকাশিতঃ 7:30 pm | September 14, 2019

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলোঃ

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী কমেছে ১৪৬ জন। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টায় নতুন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ২২ শতাংশ কমেছে।

শনিবার(১৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ন্যাশনাল হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডা. আয়েশা আক্তার বলেন, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে রাজধানীর মাত্র ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ১ হাজার ২৮৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছে। ক্রমেই এই সংখ্যা কমে আসছে।

একই সময়ে ঢাকার বাইরে ১ হাজার ৭১১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। সারাদেশে মোট ভর্তি রয়েছে ২ হাজার ৯৯৬ জন।

এদিকে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) কাছে ডেঙ্গু সন্দেহে ২০৩টি মৃত রোগীর তথ্য এসেছে। এরমধ্যে ১০১টি মৃত্যু পর্যালোচনা করে ৬০টি ডেঙ্গুজনিত মৃত্যু বলে নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে প্রতিদিনই মৃতের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানা যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে। এ সংখ্যা এখনও সরকারি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

হাসপাতালে ভর্তি হয়ে মৃত ৬০ জন ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে এপ্রিলে ২, জুনে ৫, জুলাইয়ে ২৮ এবং আগস্ট মাসে ২৫ জনের মৃত্যু হয়।

ডেঙ্গুতে নিশ্চিত মৃত ৬০ জনের তথ্য বিশ্লেষণ করে আইইডিসিআরের বিশেষজ্ঞরা জানান, ৬০ জনের মধ্যে ৪০ জনের ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম এবং ৭ জনের হেমোরেজিক জ্বর ছিল। ২৩ জনের মধ্যে এর আগে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এছাড়া মৃতদের মধ্যে ২১ জনের বয়সই ১৮ বছরের নিচে। রাজধানীর সরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৪, মিটফোর্ডে ২২, ঢাকা শিশু হাসপাতালে ২, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ১৫, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ৪ ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ৭ এবং কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারী হাসপাতাল সহ সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে মোট ১০৮ জন ভর্তি রয়েছেন।

বেসরকারি হাসপাতালে রয়েছেন ৪৮ জন। ঢাকা শহর ব্যতীত ঢাকা বিভাগের অন্য এলাকায় ৭৯, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৬, খুলনায় ১৪৩, রংপুরে ৮, রাজশাহীতে ৩০, বরিশালে ৪৯, সিলেটে ৯ এবং ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন।

কালের আলো/এনএল/এমআর

Print Friendly, PDF & Email